শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের ভোট নিয়ে যা বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (ভিডিও) ◈ কেমন হলো তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা ◈ ‌বেন‌ফিকার বর্ণবাদী আচর‌ণে ১১ মিনিট খেলা বন্ধ, ভিনিসিউসের গোলে রিয়াল মা‌দ্রিদের জয় ◈ ‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপ শেষে ওয়ান‌ডে সি‌রিজ খেল‌তে বাংলাদেশ সফ‌রে আসবে পাকিস্তান ◈ বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিশ্চিত ছয় দল, বাকি দুই জায়গার জন্য লড়াইয়ে ভারতসহ তিন দল ◈ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ ◈ আজ জামায়াতের ‘ক্লিন ঢাকা মহানগরী’ কর্মসূচি ঘোষণা ◈ খেলোয়াড়দের আমি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেব : আমিনুল হক ◈ মধ্যপ্রাচ্যে একদিনে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করলো যুক্তরাষ্ট্র ◈ স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ল নোয়াখালী

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:১৭ সকাল
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ানে তিন নৌকায় হামলা, ১১ জন নিহত

প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী তিনটি নৌকায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানে কোনও মার্কিন সেনা সদস্য হতাহত হননি। তবে এসব হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। খবর বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী তিনটি নৌকায় চালানো একাধিক হামলায় মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন।

সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত ১১ জনই পুরুষ এবং তাদের ‘নারকো-সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের প্রথম নৌকায় চারজন, একই অঞ্চলের দ্বিতীয় নৌকায় আরও চারজন এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের একটি নৌকায় তিনজন নিহত হন।

গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবিয়ান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌকাগুলোর ওপর ৪০টির বেশি প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচারের রুটে চলাচল করছিল এবং পাচার কার্যক্রমে যুক্ত ছিল। সোমবার গভীর রাতে পরিচালিত এই অভিযানে কোনও মার্কিন সেনা সদস্য আহত হননি।

মূলত গত সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে মাদক পাচার করছে এমন সন্দেহে বিভিন্ন নৌযানকে টার্গেট করে হামলা করছে।

তবে জানুয়ারির শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর থেকে হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারকারী গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার অভিযোগ তুলেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, পুরো অভিযানটির উদ্দেশ্য হলো ‘আমাদের গোলার্ধ থেকে নারকো-সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দেয়া’ এবং ‘যে মাদক আমাদের মানুষকে হত্যা করছে, তা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত করা।’

তবে যেসব নৌকায় হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলোতে মাদক ছিল— এমন কোনও প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ করেনি। কিছু আইন বিশেষজ্ঞের মতে, এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে পারে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বেসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকলে তা অবৈধ হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য বলেছে, এসব হত্যাকাণ্ড আইনসম্মত। কংগ্রেসে দেয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, যুক্তরাষ্ট্র মাদক কার্টেলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘নির্ধারণ করেছেন’ এবং মাদকবাহী নৌকার কর্মীদের ‘যোদ্ধা’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত এসব হামলায় ১৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে ক্যারিবিয়ানে একটি আক্রমণ জাহাজ থেকে সাগরে পড়ে যাওয়া এক মার্কিন মেরিন সদস্য নিহত হন। মাদক পাচারকারী নৌকার বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযানে এটিই প্রথম মার্কিন সেনার প্রাণহানি বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: চ্যানেল ২৪ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়