শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জোড়া বিদেশ সফর, ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ◈ বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ◈ ২৪ জেলার চিত্র বদলে দেবে পদ্মা ব্যারাজ ◈ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেসব ঘটনায় আলোচনায় ◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইসরায়েলি কারাগার থেকে আরও ৭ ফিলিস্তিনি মুক্তি

ইসরায়েল আরো সাতজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তির পর তাদেরকে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় অবস্থিত আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) সহায়তা করেছে এবং পাহারা দিয়ে দক্ষিণ গাজার কেরেম আবু সালেম সীমান্ত দিয়ে বন্দিদের গাজায় প্রবেশ করিয়েছে।

আনাদোলুর খবরে বলা হয়েছে, গাজায় প্রবেশের পর বন্দিদের দেইর আল-বালাহে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসা পরীক্ষা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তারা হাসপাতালে পৌঁছান।

এই মুক্তি ও হস্তান্তর এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন গাজা উপত্যকায় চলমান মানবিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। হাসপাতালগুলো বারবার ওষুধ ও সরঞ্জামের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত রোগীর চাপের কথা জানাচ্ছে।

ফিলিস্তিনি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইসরায়েলি কারাগারে ৯,৩০০–এর বেশি ফিলিস্তিনি আটক রয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ৩,৩৮৫ জনকে কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটক হিসেবে রাখা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশেষ করে গাজার ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গুরুতর লঙ্ঘন বাড়িয়েছে। এর মধ্যে অনাহার, নির্যাতন, যৌন সহিংসতা এবং চিকিৎসাসেবা ও মৌলিক অধিকার পদ্ধতিগতভাবে অস্বীকার করার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ১০ অক্টোবর কার্যকর হয়। চুক্তির প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো বলেছে, এই সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত ও মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য অপর্যাপ্ত, ফলে বাসিন্দারা দুর্ভিক্ষের কিনারায় রয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়