শিরোনাম
◈ ওয়াশিংটন–তেহরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:৫৬ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুরআন হাতে নিয়ে শপথ, ইতিহাস গড়লেন জোহরান মামদানি

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি। শপথ গ্রহণের সময় তিনি কুরআনে হাত রেখেছেন, নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে এর আগে কোনো মেয়রই কুরআনে হাত রেখে শপথ পাঠ করেননি। 

তিনি আজ দুটি কুরআনে হাত রাখেন; একটি তার দাদার ব্যক্তিগত কুরআন এবং অন্যটি একটি পকেট-আকারের প্রাচীন কুরআন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সিটি হলের নিচে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি সাবওয়ে স্টেশনে। শপথ পাঠ করার সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী রামা দুওয়াজি। 

সাধারণত নিউইয়র্কের মেয়ররা বাইবেলে হাত রেখে শপথ নিলেও আইন অনুযায়ী কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা নেই। তবুও মামদানির এই সিদ্ধান্ত শহরের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট নেতা জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র। একই সঙ্গে তিনি প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি, যিনি এই পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসস্থান ও সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি নিজের মুসলিম পরিচয় নিয়েও ছিলেন স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসী। নিয়মিত প্রচারণার মাধ্যমে তিনি দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম ভোটারদের মধ্যে শক্ত সমর্থন গড়ে তোলেন।

শপথে ব্যবহৃত প্রাচীন কুরআনটি নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির শোমবার্গ সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ব্ল্যাক কালচারের সংগ্রহের অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ১৮শ শতকের শেষভাগ বা ১৯শ শতকের শুরুর দিকের অটোমান আমলের পান্ডুলিপি, যা বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও জর্ডানের কোনো অঞ্চলে তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

কুরআনে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্তে কিছু রক্ষণশীল মহল সমালোচনা করলেও সমর্থকদের মতে, এটি নিউইয়র্ক সিটির বহুসাংস্কৃতিক ও বহুধর্মীয় পরিচয়ের প্রতিফলন। শপথ গ্রহণের পর প্রাচীন কুরআনটি জনসাধারণের জন্য নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়