শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩১ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

মান‌বিক সাহায্যের হাজার হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক গাজার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে উধাও

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক :  হাজার হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে বলে দাবি করা হলেও, মানুষ এখনও ক্ষুধার্ত এবং 'বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে' থেকে ত্রাণ উধাও হয়ে যাচ্ছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর দেড় মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। চুক্তি অনুসারে, প্রতিদিন খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা বহনকারী ৬০০ ট্রাক গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করার কথা ছিল। --- পার্সটু‌ডে

advertisement

আল জাজিরার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে হাজার হাজার ত্রাণ ট্রাক এসেছে এবং লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতার এই পরিসংখ্যানের কোনো মিল নেই। অনেক ট্রাকই কম মূল্যের পণ্য বহন করছে, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তারা আনছে না।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিও  এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে যে প্রয়োজনীয় খাদ্যের মাত্র অর্ধেকই গাজায় প্রবেশ করছে। আর ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে যে সাহায্যের মাত্র এক-চতুর্থাংশ প্রবেশের অনুমতি পায়। 

advertisement

এই অল্প পরিমাণের সাহায্যের মধ্যে খুব সামান্য অংশই বাস্তুচ্যুত ও দরিদ্রদের কাছে পৌঁছায়। কারণ গাজার 'বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে' যে সাহায্য যাচ্ছে তা উধাও হয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত এবং শিবিরের মধ্যে স্বল্প দূরত্ব আসলে দীর্ঘতম রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পথ। মানুষ ট্রাকের কথা শুনতে পায় কিন্তু সাহায্যের প্যাকেজ দেখতে পায় না; তারা টন টন আটার কথা শুনতে পায় কিন্তু তাদের টেবিলে রুটি নেই।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী রুটগুলো সীমিত করেছে এবং ট্রাকগুলোকে বিপজ্জনক রাস্তায় জোর করে নিয়ে গেছে। যুদ্ধবিরতির পর থেকে বিশ্বব্যাপী মনোযোগ কমে যাওয়ার কারণে সাহায্যের উধাও হওয়াটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। 

advertisement

ইসরায়েলি-পরিকল্পিত এই সংকট ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিত শাস্তির আরেকটি রূপ; এবং বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে প্রতিটি ট্রাক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে মানুষের বেঁচে থাকার ক্ষমতাও হারিয়ে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ