শিরোনাম
◈ আজ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিশ্বকাপে খেল‌তে না পারার হতাশা কাটিয়ে উঠছে ক্রিকেটাররা, বল‌লেন কোচ সিমন্স ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় নতুন কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু, বিশ্ব অর্থনীতিতে শঙ্কা ◈ অর্থ সংকট থাকলে সরকার বন্ড দিতে পারে: বিআইপিপিএ ◈ সরবরাহ সংকট কাটেনি, তেল নেই অনেক পাম্পেই ◈ যুদ্ধের ছায়া প্রবাসজীবনে, দেশে উদ্বেগে পরিবার ◈ বেসরকারি ৪ ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ ◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন 

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪০ রাত
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফগানিস্তানের পর বিশ্বের প্রধান আফিম উৎপাদনকারী মিয়ানমার

বাংলাদেশের প্রতিবেশী মিয়ানমারে পপির চাষ ১০ বছরের মধ্যে শীর্ষে পৌঁছেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির প্রায় সব চাষযোগ্য অঞ্চলে পপির চাষ বেড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) সবশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় মিয়ানমারে পপির চাষ ১৭ শতাংশ বেড়েছে। চাষের এলাকা ৪৫,২০০ থেকে বেড়ে ৫৩,১০০ হেক্টর হয়েছে।

আফগানিস্তানে চাষ ক্রমাগতভাবে হ্রাসের পর মায়ানমার এখন বিশ্বের প্রধান অবৈধ আফিম উৎপাদনকারী দেশ হয়ে উঠেছে। ইউএনওডিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি ডেলফিন শান্তজ বলেন, চাষের এই ব্যাপক বৃদ্ধি বোঝাচ্ছে, আফিমকেন্দ্রিক অর্থনীতি কতটা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দেশটিতে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পপির চাষ বাড়লেও সে তুলনায় আফিম উৎপাদন হয়নি। এই পার্থক্যের কারণ হলো ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা। তীব্র সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে কৃষকদের পক্ষে ফসল রক্ষা এবং আফিম উৎপাদন কঠিন হয়ে পড়েছে।

পপির ফল থেকে নিসৃত আঠা বা আফিম প্রক্রিয়াজাত করে হেরোইন তৈরি করা হয়। ইউএনওডিসির সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে হেরোইন সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আফগানিস্তান থেকে হেরোইনের সরবরাহে ঘাটতির কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আফিম থেকে তৈরি ওপিয়েটের প্রতি বৈশ্বিক চাহিদা বাড়তে পারে।

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়