শিরোনাম
◈ ইরানের ড্রোন ঠেকাতে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেজার অস্ত্র’ : নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন ◈ জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের আসল কাজ কী? (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আগামী পাঁচ বছ‌রের মধ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ ও বন্যার মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়‌বে দক্ষিণ এশিয়া  

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ আগামী ৫ বছ‌রের ম‌ধ্যে (২০৩০ সাল) চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে পড়বে। একই সময়ে অঞ্চলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ মারাত্মক বন্যার মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন এক প্রতিবেদনে এ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। -------- আনাদোলু এজেন্সি

সোমবার প্রকাশিত “ফ্রম রিস্ক টু রেজিলিয়েন্স: হেল্পিং পিপল অ্যান্ড ফার্মস অ্যাডাপ্ট ইন সাউথ এশিয়া” শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে সংগৃহীত কেস স্টাডির ভিত্তিতে বলা হয়েছে—ঘনবসতি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ভৌগোলিক অরক্ষিত অবস্থান দক্ষিণ এশিয়াকে পৃথিবীর সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের একটিতে পরিণত করেছে।

গবেষণায় বলা হয়, আগামী এক দশকে এই অঞ্চলটি আরও ঘনঘন ও আরও তীব্র আবহাওয়া–সম্পর্কিত ধাক্কার মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৮ বিলিয়ন মানুষ—অর্থাৎ জনসংখ্যার ৮৯ শতাংশ—চরম তাপপ্রবাহের এবং ৪৬২ মিলিয়ন মানুষ মুখোমুখি হবে ভয়াবহ বন্যার।

advertisement

প্রতিবেদনটি ঝুঁকি কমাতে শক্তিশালী আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা এবং অভিযোজন–কেন্দ্রিক নীতিমালা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, উপকূলীয় ও নদীবেষ্টিত এলাকায় অধিকাংশ পরিবার ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা পেলেও বন্যা বা অন্যান্য দুর্যোগের বিষয়ে অর্ধেকেরও কম মানুষ সময়মতো সতর্কবার্তা পান।

ফলাফল বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, সঠিকভাবে ডিজাইন করা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি তথ্য হালনাগাদ থাকলে দুর্যোগের সময় দ্রুত সম্প্রসারণ করা সম্ভব, যা দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, সীমিত সরকারি বাজেটের কারণে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট হবে না; বেসরকারি খাতের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নীতি-সহায়ক পরিবেশ তৈরি করাও জরুরি।

  • সর্বশেষ