শিরোনাম
◈ ওয়ান-ইলেভেনের তিন কুশীলব ডিবি হেফাজতে: মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরোচ্ছে নতুন তথ্য ◈ জ্বালানি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ◈ দুই গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল ◈ তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ◈ ওকে লাথি মেরে বের করে দিন: নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের ◈ বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি সংকটে প্রথমে ফুরিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ! ◈ শিশুশিল্পী লুবাবার বিয়ে আইনত বৈধ কি না, বাল্যবিবাহের দায়ে কী শাস্তি হতে পারে? ◈ মহানগর এলাকার সরকারি প্রাথমিকেও আসছে অনলাইন ক্লাস ◈ এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদেরও চাকরি হারানোর ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:০৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানে পারমাণবিক অস্ত্র নীতি সংশোধনের গুঞ্জন, তীব্র বিরোধিতা পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের

জাপানে চালানো মার্কিন পারমাণবিক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা বলছেন, জাপানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র রাখা অগ্রহণযোগ্য, এই ধরনের অস্ত্র শয়তানের হাতিয়ার।

কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি এবং তার মন্ত্রিসভা জাপানের দীর্ঘস্থায়ী তিনটি 'অ-পারমাণবিক নীতি' সংশোধন করতে চাইতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ বিষয় দেশটিতে ক্রমবর্ধমান জনসাধারণের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সংগঠন 'নিহন হিডানকিও'র কমিটির সিনিয়র সদস্য তেরুমি তানাকা বলেন, 'এটা অবিশ্বাস্যরকম গুরুতর। তারা কি সত্যিই শয়তানের হাতিয়ার দিয়ে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে চায়?'

সংগঠন নিহোন হিডানকি বারবার এই ধারণার বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, এই বিষয়টি উত্থাপন করাও জাতির জন্য অগ্রহণযোগ্য, কেননা দেশটি এখনো বিশ্বের একমাত্র যুদ্ধকালীন পারমাণবিক হামলার শিকার।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা নীতিগত নথিগুলো সংশোধন করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনায় দেশের অ-পারমাণবিক অবস্থানের সম্ভাব্য পরিবর্তন, পাশাপাশি সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির জন্য নতুন লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এলডিপি'র নিরাপত্তা গবেষণা কাউন্সিল বিস্তৃত বিষয়গুলো বিবেচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে: যার মধ্যে বিদেশে অস্ত্র বিক্রির ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করা, ড্রোনের ব্যবহার সম্প্রসারণ করা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং নৌবাহিনীকে শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন দিয়ে সজ্জিত করা উচিত কিনা তা পরীক্ষা করা।

জাপানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি আজ পর্যন্ত প্রতিটি জাপানি প্রধানমন্ত্রী সমর্থন করেছেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে অস্পৃশ্য বলে বিবেচিত।

তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি এই নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিশেষ করে, তিনি কমপক্ষে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পক্ষে সমর্থন করতে চান।

সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়