শিরোনাম
◈ মহানগর এলাকার সরকারি প্রাথমিকেও আসছে অনলাইন ক্লাস ◈ এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদেরও চাকরি হারানোর ঝুঁকি ◈ চলতি অর্থ বছরের ৩১৮.৬৩৯ কি.মি. খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে : পানি সম্পদ মন্ত্রী  ◈ চাহিদার চাপে তেলশূন্য পাম্প—নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় চালু হচ্ছে পরীক্ষামূলক ‘ফুয়েল পাস’ ◈ প্রবাসী আয়ে নতুন ইতিহাস, এক মাসেই সর্বোচ্চ প্রবাহ ◈ দেশবাসীর রায়কে অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ তুলে সংসদে বিরোধীদলের ওয়াকআউট ◈ জামায়াতের উপর বিএন‌পির নজরদা‌রি, পুতুল‌কে সাম‌নে রে‌খে ফেরার অপেক্ষায় পলাতক আওয়ামী লীগ ◈ ক্রোয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিলো ব্রাজিল ◈ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ২৩,৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:০৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানে পারমাণবিক অস্ত্র নীতি সংশোধনের গুঞ্জন, তীব্র বিরোধিতা পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের

জাপানে চালানো মার্কিন পারমাণবিক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা বলছেন, জাপানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র রাখা অগ্রহণযোগ্য, এই ধরনের অস্ত্র শয়তানের হাতিয়ার।

কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি এবং তার মন্ত্রিসভা জাপানের দীর্ঘস্থায়ী তিনটি 'অ-পারমাণবিক নীতি' সংশোধন করতে চাইতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ বিষয় দেশটিতে ক্রমবর্ধমান জনসাধারণের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত পারমাণবিক বোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সংগঠন 'নিহন হিডানকিও'র কমিটির সিনিয়র সদস্য তেরুমি তানাকা বলেন, 'এটা অবিশ্বাস্যরকম গুরুতর। তারা কি সত্যিই শয়তানের হাতিয়ার দিয়ে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে চায়?'

সংগঠন নিহোন হিডানকি বারবার এই ধারণার বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, এই বিষয়টি উত্থাপন করাও জাতির জন্য অগ্রহণযোগ্য, কেননা দেশটি এখনো বিশ্বের একমাত্র যুদ্ধকালীন পারমাণবিক হামলার শিকার।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা নীতিগত নথিগুলো সংশোধন করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনায় দেশের অ-পারমাণবিক অবস্থানের সম্ভাব্য পরিবর্তন, পাশাপাশি সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির জন্য নতুন লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এলডিপি'র নিরাপত্তা গবেষণা কাউন্সিল বিস্তৃত বিষয়গুলো বিবেচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে: যার মধ্যে বিদেশে অস্ত্র বিক্রির ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করা, ড্রোনের ব্যবহার সম্প্রসারণ করা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং নৌবাহিনীকে শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন দিয়ে সজ্জিত করা উচিত কিনা তা পরীক্ষা করা।

জাপানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি আজ পর্যন্ত প্রতিটি জাপানি প্রধানমন্ত্রী সমর্থন করেছেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে অস্পৃশ্য বলে বিবেচিত।

তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি এই নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিশেষ করে, তিনি কমপক্ষে মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পক্ষে সমর্থন করতে চান।

সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়