শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষমা চাইবে: দাবি মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রীর

রাশিয়ার জ্বালানি কেনা বন্ধ করে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে বসবে ভারত—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লুটনিক বলেন, 'আমার বিশ্বাস, এক বা দুই মাসের মধ্যে ভারত আলোচনার টেবিলে আসবে। তারা বলবে, আমরা ক্ষমা চাইছি, এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চুক্তি করার চেষ্টা করবে।'

লুটনিক সতর্ক করে বলেন, যদি ভারত যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

এর আগে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি লিখেন, 'মনে হচ্ছে আমরা ভারত ও রাশিয়াকে গভীর অন্ধকার চীনের কাছে হারিয়েছি। আমি তিন দেশেরই সাফল্য কামনা করছি।'

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরপরই ভারত প্রসঙ্গে কঠোর বক্তব্য দেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভারতের অবস্থানকে 'শুধুই আস্ফালন' আখ্যা দিয়ে লুটনিক বলেন, 'সবচেয়ে বড় ক্লায়েন্টের সঙ্গে লড়াই করা হয়তো ভালো লাগতে পারে। কিন্তু দিন শেষে নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই ভারত আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করবে।'

তিনি আরও বলেন, 'ভারত যদি তাদের বাজার না খোলে, রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ না করে এবং ব্রিকস থেকেও না সরে, তাহলে সেটা হবে তাদের পছন্দ। তারা চাইলে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে মেলবন্ধন গড়ুক। কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, তবে ডলারকে সমর্থন করুন, যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করুন—আপনার সবচেয়ে বড় গ্রাহককে সমর্থন করুন। নয়তো প্রস্তুত থাকুন ৫০ শতাংশ শুল্ক দেওয়ার জন্য। তারপর দেখা যাবে এই লড়াই কতদিন টেকে।'

সূত্র: ব্লুমবার্গ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়