শিরোনাম
◈ সেঞ্চু‌রি না পে‌য়ে হতাশ শান্ত ও মুশফিক, আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ বিএনপিতে অপকর্মে জড়ালে ছাড় নয়, চাঁদাবাজি-দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: এমপিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ◈ নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার (ভিডিও) ◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৪, ০৮:২২ রাত
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদানির আরও ১৭ কোটি ডলার পরিশোধ করছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ভারতের আদানি পাওয়ারকে আরও ১৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা) পরিশোধ করছে। এই অর্থটি ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ভারতের ইকোনমিক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কয়েকদিন আগে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ গত মাসে ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। চলতি মাসে আরও ১৭ কোটি ডলার পরিশোধের জন্য একটি ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে।

ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) আদানি পাওয়ারের বকেয়া শোধ করতে ১৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের একটি ঋণপত্র খুলেছে। এই এলসি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ভারতের আইসিআইসিআই ব্যাংকে খোলা হয়েছে এবং এটি পিডিবির পক্ষ থেকে আদানি পাওয়ারকে দেওয়া তৃতীয় এলসি।

২০১৫ সালে শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে বাংলাদেশ এবং আদানি পাওয়ারের মধ্যে ২৫ বছর মেয়াদী একটি চুক্তি হয়, যার অধীনে আদানি পাওয়ার ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের দুটি ইউনিট রয়েছে, প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৮০০ মেগাওয়াট। এই দুটি ইউনিটের পুরো বিদ্যুৎ (১৬০০ মেগাওয়াট) বাংলাদেশে রফতানি করা হয়, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ করে।

তবে সম্প্রতি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। গত বছর, বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগেই কয়লার দাম নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) কয়লার চড়া দাম দিতে অস্বীকৃতি জানায়, কিন্তু পরে আদানি দাম কমাতে রাজি হয় এবং পায়রা ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম দামে কয়লা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এক বছর পর, আদানি আবারও বাড়তি দাম চাইছে।

এটি জানা গেছে, গত জুলাই থেকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লার দাম পায়রা কেন্দ্রের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি ধরে বিল করছে এবং বকেয়া বিলের ওপর ১৫ শতাংশ হারে সুদও আরোপ করছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশকে নিয়মিত চাপ দিয়ে বকেয়া বিল পরিশোধ করতে বলছে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বকেয়া বিল পরিশোধ না করার কারণে আদানি বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক কমিয়ে দেয়।

এরপর, আদানি কর্তৃপক্ষ ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। যদি এরপরও বিল পরিশোধ না হয়, তবে তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়।

আদানির হিসাব অনুযায়ী, কয়লার বাড়তি দাম এবং বকেয়া বিলের সুদসহ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছে তাদের ৮৫ কোটি ডলার (৮৫০ মিলিয়ন ডলার) বা প্রায় ১০ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। তবে পিডিবি দাবি করছে, আদানির বকেয়া বিলের পরিমাণ ৭০ কোটি ডলার (৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা)। এই বকেয়া বিলের বড় অংশই শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে জমা হয়েছে।

  • সর্বশেষ