শিরোনাম
◈ কাকে ভোট দেওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতি: নতুন সরকারের সামনে বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ কমাল ভারত, শীতে লোডশেডিং ও গরমে বড় সংকটের আশঙ্কা ◈ পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক চুক্তি, মিয়ানমার থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের লোমহর্ষক বর্ণনা ◈ এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ শুক্রবার বি‌পিএ‌লের ফাইনা‌লে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ও রাজশাহী ওয়া‌রিয়র্স মু‌খোমু‌খি ◈ এবার ওষুধ আমদানিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করলেন আফগান ব্যবসায়ীরা! ◈ নির্বাচনে ৪৫ ঋণখেলাপি, কেবলই আইনের মারপ্যাঁচ, না ক্ষমতার অপব্যবহার: প্রশ্ন বিশেষজ্ঞ-অর্থনীতিবিদদের ◈ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে যা বলল জাতিসংঘ ◈ নির্বাচনী জনসংযোগে টুপি,ঘোমটা দিলে কি ভোট বেশি পাওয়া যায়?

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৭:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৭:৩৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীরা যেন হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা পায়: জাহিদ মালেক

জাহিদ মালেক

শাহীন খন্দকার: সারাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনের তুলনায় ডাক্তারদের সংখ্যা অনেক কম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসকদের কর্মস্থল নিয়ে গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে রাজনৈতিক প্রেসার থাকবে, এমন সামাজিক অবস্থা রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। রোগীরা যেন হাসাপাতালে এসে ভালো চিকিৎসা পায়, সেটি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন,  অনেক হাসপাতালে রোগী বেশি হওয়ার কারণে ডাক্তারদের কাজের চাপ বেশি থাকে। যেখানে ২০ জন ডাক্তার থাকার কথা, সেখানে যদি দশ জন বা আটজন ডাক্তার থাকে, তাহলে চাপতো বাড়বেই। আমাদের কিছু ঘাটতি রয়েছে, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। হাসপাতালগুলোর নোংরা পরিবেশ এবং অস্বাস্থ্যকর টয়লেটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, হাসপাতালে একজন পরিচালক রয়েছেন। টয়লেট যদি অপরিষ্কার থাকে, হাসপাতাল যদি অপরিচ্ছন্ন থাকে, হাসপাতালে যদি পানি না থাকে, তাহলে সেই পরিচালকের কাজ কি, তিনি কি করেন?

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি যদি ফাংশনাল না থাকে তাহলে তার কাজটা কি? বেশিরভাগ রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন বাইরে বেসরকারিভাবে করে? স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়ে আমরা গর্ব করি। আমাদের সবার সম্মিলিত ইচ্ছা থাকলে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও ভালো করতে পারি আমরা।

এ পরিবর্তন আমাদের করতে হবে। অন্য কেউ এসে পরিবর্তন করবে না। ডাক্তাররা যেন জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে থাকে সেজন্য যা যা করা প্রয়োজন, আমরা পর্যায়ক্রমে সেটা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো। মন্ত্রী বলেন, রোগীরাও যেন হাসপাতালে এসে ভালো পরিবেশ এবং চিকিৎসাসেবা পায়।  হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে এসে কেউ যদি দেখে ডাক্তার নাই, তাহলে তার অনুভূতিটা কেমন হবে? পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা এক্সরে করতে গিয়ে যদি দেখে মেশিন খারাপ, তাহলে কেমন হয়?

এ বিষয়গুলো যেন না ঘটে সেই দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা হাসপাতাল তৈরি করেছি মানুষের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। মানুষ চিকিৎসা পেলে আমাদের চাকরি থাকবে। জনগণের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে আগামীতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও ভালো হবে। এসময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ এবং সমাজকল্যাণ বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাক্তার মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার টিটো মিয়া। 

জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা প্রদাণে চিকিৎসকদের চ্যালেঞ্জ বিষয়ক ফলাফল উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিক হেলথ ও ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রধান গবেষক ডা. মো. খালেকুজ্জামান।

এসকে/এএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়