মনিরুল ইসলাম : বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ৩ জুলাই, শুত্রুবার। এজিএম ( সাধারণ সভা) ১২ জুন শুত্রুবার এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ সোমবার, ১৮ মে শিল্পী সমিতির বিদায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে পরিষদের সদস্য চিত্র নায়িকা পলি জানান। সভাপতিত্ব সভাপতি মিশা সওদাগর।
তিনি জানান, চাঁদা দেবার শেষ তারিখ ৩০ মে।
পলি আরও জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করার জন্য কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপুকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং এইচ বি নিশান ও এবিএম সোহেল রশিদকে নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে। এছাড়া আপীল বোর্ডের প্রধান ছটকু আহমেদ, সদস্য দেলোয়ার জাহান ঝন্টু আর বাদল খন্দকারকে সদস্য করা হয়। তারা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
জানা গেছে, নতুন ৪০ জন সদস্য নেওয়া হবে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুন সদস্যদের সাক্ষাৎকার আগামী ২৩ মে সকাল ১০ টায় শিল্পী সমিতির অফিসে অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমান কার্যনিবার্হী পরিষদের মেয়াদ গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক রৈছে। সেই হিসাবে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতেই হবে। সেই নিয়ম মনে আজ সোমবার শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করা হয়। বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি মিশা সওদাগর আমেরিকা থেকে ঢাকায় এসে পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে ৩ জুলাই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
এদিকে, নির্চাচনের তারিখ ঘোষণায় আসন্ন নির্বাচনে কে কে লড়বেন তা শুরু হয়েছে আলোচনা। বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এফডিসিতে এটাই মূখ্য আলোচনায় সরব ভোটার ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন চিত্র নায়ক বাপ্পারাজ ও শিবা সানু। আর সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি ও চিত্র নায়ক জয় চৌধুরী।
এদিকে, একটি সূত্র জানায়, আগামী নির্বাচনে দুটো প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। একটি প্যানেলে নেতৃত্ব দিবেন বাপ্পারাজ ও মুক্তি। অপরটি প্যানেলে নেতৃত্ব দিবেন সভাপতি পদে শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী
। পূর্ণ প্যানেল তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
চিত্র নায়িকা পলি আলাপকালে বলেন, আমি ২ প্যানেলের কোন প্যানেলের সাথে যুক্ত হবো তা এখনও স্থির করিনি। যে প্যানেলে আমি গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবো সেই প্যানেলেই নির্বাচনে অংশ নিবো। আমি সদস্যদের জন্য কাজ করতে চাই। তাদের সুখে- দুখে পাশেনছিলাম। আগামীদিনেও পাশে থাকতে চাই। সহযোগিতা করতে চাই। সমিতিকে একটি কল্যাণময় সমিতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।