শিরোনাম
◈ ৭৫ কোটি টাকায় বদলে যাবে ধানমন্ডি লেক, হবে ‘নজরুল সরোবর’ ◈ ৩০ গ্রামের ৫ লাখ নারী বদলে দিচ্ছেন গ্রামীণ অর্থনীতি, বছরে আসে ৫০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ◈ তালাকের আগেই দেনমোহর চাইতে পারবেন স্ত্রী: হাইকোর্ট ◈ ৫ বছরে ১ কোটি কর্মী পাঠাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ভিসা সুবিধা চালু করল সৌদি আরব ◈ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েল: সিআইএ ◈ বিশ্বের সেরা ৫০০ শহরের তালিকা থেকে বাদ ঢাকা, পিছিয়েছে বাংলাদেশের সব বড় শহর! ◈ সেন্টমার্টিনে বিনামূল্যে খতনা করিয়ে অর্ধশতাধিক শিশুর ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ ◈ সোলার প্যানেল নাকি মিনি উইন্ড টারবাইন, বাড়ির জন্য কোনটি বেশি লাভজনক? ◈ বৃহস্পতিবার মিরপুর-আগারগাঁওসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২২০ টাকার জন্য ২১দিন কান্নাকাটি করেছি: নির্মাতা মারুফ হোসেন 

পাপ্পী আয়ান: [২] ‘শিশু একাডেমিতে ভর্তি হবার জন্য আমি আম্মুর কাছ থেকে ২২০ টাকা চেয়েছিলাম। এই টাকা নেওয়ার জন্য তিন সাপ্তাহ কান্নাকাটি করেছি।’ আমাদের সময় ডট কমের সঙ্গে আলাপকালে স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার মারুফ হোসেন সজীব।

[৩] নির্মাণে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছোট বেলা থেকেই মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ ছিলো। ১৩বছর বয়সে অভিনয় শেখার জন্য শিশু একাডেমির নাট্যকলায় ভর্তি হয়েছিলাম। যখন আমি শিশু একাডেমিতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তখন আমি আর আমার বন্ধু মিলে একটা কর্মশালা করি। রাশিয়ান কিছু সিনেমার উপরে কর্মশালাটা ছিলো। এই কর্মশালা করার পরে মনে হয়েছে যে, অভিনয় না, আমি নির্মানের জন্য চেষ্টা করি।’

[৪] ২০১২ সালে ‘জনারণ্যে জোনাকি’ নাটকের মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মারুফ হোসেন সজীব। এরপর টানা আট বছর ছিলেন নির্মাণ থেকে দূরে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমি ২০১২ সালে প্রথম নাটক নির্মাণ করি। নাটকটি থেকে সেসময় ভালো সাড়াও পেয়েছিলাম। কিন্তু তখন মনে হয়েছিলো আমার আরও স্টাডি প্রয়োজন। এরপর মুম্বাইতে ফিল্ম এণ্ড মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি, বিভিন্ন কোর্স করি। সেসব পড়াশোনাগুলো এখন নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাকে অনেক বেশি হেল্প করছে। দীর্ঘ একটা সময় পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করেছি।’

[৫] আট বছর পর ‘ফ্রোজেন কার’ নাটক দিয়ে নির্মাণে ফেরেন মারুফ। ২০২১ সালে নির্মাণ করেন ‘বিলোপ’ ও ‘আধারী’ নামের দুটি নাটক। এরপর ধারাবাহিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ এই নির্মাতা।

[৬] উল্লেখ্য, শুরুতে অভিনয়ের ইচ্ছে থাকলেও পরবর্তীতে পরিচালক হিসেবে শোবিজে জায়গা করে নেন তিনি। তরুণ এই নির্মাতার অর্জনে রয়েছে, মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ আরও বেশ কিছু সম্মাননা। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, নুসাইবা, আজ আকাশে চাঁদ নেই, হাসি, আদরের চাঁদ, কুমিরের দরজা, কথা বন্ধু, ভালো মানুষ ইত্যাদি। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

এসবি২