শিরোনাম
◈ স্প‌্যা‌নিশ লা লিগায় রিয়াল মা‌দ্রিদের টানা তৃতীয় জয়, খেলার আ‌গে নেপাল-তিব্বতে নিহতদের স্মরণ   ◈ ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের ◈ হ‌কি বিশ্বকা‌পে স্পেনকে হারিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন জার্মানি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মারামারি, ফিফার ১০ ম্যাচের শাস্তি নিয়ে প্রশ্ন তুল‌লেন আর্জেন্টিনার পারেদেস ◈ জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ পাওয়ার চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি পরিশোধ ◈ পোশাকনির্ভর রপ্তানি কমাতে নতুন ৫ খাত খুঁজছে সরকার ◈ সৌরশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রণোদনা : ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা ৫০ পয়সা দেবে সরকার ◈ আ.লীগ প্রশ্নে দিল্লির মনোভাব কি পাল্টাচ্ছে? ◈ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার পর সৌদি যুবকের আত্মহত্যা ◈ মতপ্রকাশের ব্যাপারে সরকার ‘খুব উদার’: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২২০ টাকার জন্য ২১দিন কান্নাকাটি করেছি: নির্মাতা মারুফ হোসেন 

পাপ্পী আয়ান: [২] ‘শিশু একাডেমিতে ভর্তি হবার জন্য আমি আম্মুর কাছ থেকে ২২০ টাকা চেয়েছিলাম। এই টাকা নেওয়ার জন্য তিন সাপ্তাহ কান্নাকাটি করেছি।’ আমাদের সময় ডট কমের সঙ্গে আলাপকালে স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার মারুফ হোসেন সজীব।

[৩] নির্মাণে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছোট বেলা থেকেই মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ ছিলো। ১৩বছর বয়সে অভিনয় শেখার জন্য শিশু একাডেমির নাট্যকলায় ভর্তি হয়েছিলাম। যখন আমি শিশু একাডেমিতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তখন আমি আর আমার বন্ধু মিলে একটা কর্মশালা করি। রাশিয়ান কিছু সিনেমার উপরে কর্মশালাটা ছিলো। এই কর্মশালা করার পরে মনে হয়েছে যে, অভিনয় না, আমি নির্মানের জন্য চেষ্টা করি।’

[৪] ২০১২ সালে ‘জনারণ্যে জোনাকি’ নাটকের মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মারুফ হোসেন সজীব। এরপর টানা আট বছর ছিলেন নির্মাণ থেকে দূরে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমি ২০১২ সালে প্রথম নাটক নির্মাণ করি। নাটকটি থেকে সেসময় ভালো সাড়াও পেয়েছিলাম। কিন্তু তখন মনে হয়েছিলো আমার আরও স্টাডি প্রয়োজন। এরপর মুম্বাইতে ফিল্ম এণ্ড মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি, বিভিন্ন কোর্স করি। সেসব পড়াশোনাগুলো এখন নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাকে অনেক বেশি হেল্প করছে। দীর্ঘ একটা সময় পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করেছি।’

[৫] আট বছর পর ‘ফ্রোজেন কার’ নাটক দিয়ে নির্মাণে ফেরেন মারুফ। ২০২১ সালে নির্মাণ করেন ‘বিলোপ’ ও ‘আধারী’ নামের দুটি নাটক। এরপর ধারাবাহিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ এই নির্মাতা।

[৬] উল্লেখ্য, শুরুতে অভিনয়ের ইচ্ছে থাকলেও পরবর্তীতে পরিচালক হিসেবে শোবিজে জায়গা করে নেন তিনি। তরুণ এই নির্মাতার অর্জনে রয়েছে, মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ আরও বেশ কিছু সম্মাননা। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, নুসাইবা, আজ আকাশে চাঁদ নেই, হাসি, আদরের চাঁদ, কুমিরের দরজা, কথা বন্ধু, ভালো মানুষ ইত্যাদি। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

এসবি২

  • সর্বশেষ