শিরোনাম
◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারীদের বেশিরভাগই শিশু-কিশোর, আইনের মুখে পড়তে পারেন অভিভাবকরা ◈ চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ থেকে ১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল : স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইবে ইসি ◈ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ◈ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ◈ পোষা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ শূন্য থেকে তিন ঘণ্টা ঘুমাই: জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অস্বাভাবিক ঘুমের অভ্যাসে চমকে দেশ, শুরু তুমুল বিতর্ক ◈ সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৪, ০৯:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২২০ টাকার জন্য ২১দিন কান্নাকাটি করেছি: নির্মাতা মারুফ হোসেন 

পাপ্পী আয়ান: [২] ‘শিশু একাডেমিতে ভর্তি হবার জন্য আমি আম্মুর কাছ থেকে ২২০ টাকা চেয়েছিলাম। এই টাকা নেওয়ার জন্য তিন সাপ্তাহ কান্নাকাটি করেছি।’ আমাদের সময় ডট কমের সঙ্গে আলাপকালে স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার মারুফ হোসেন সজীব।

[৩] নির্মাণে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছোট বেলা থেকেই মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ ছিলো। ১৩বছর বয়সে অভিনয় শেখার জন্য শিশু একাডেমির নাট্যকলায় ভর্তি হয়েছিলাম। যখন আমি শিশু একাডেমিতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তখন আমি আর আমার বন্ধু মিলে একটা কর্মশালা করি। রাশিয়ান কিছু সিনেমার উপরে কর্মশালাটা ছিলো। এই কর্মশালা করার পরে মনে হয়েছে যে, অভিনয় না, আমি নির্মানের জন্য চেষ্টা করি।’

[৪] ২০১২ সালে ‘জনারণ্যে জোনাকি’ নাটকের মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মারুফ হোসেন সজীব। এরপর টানা আট বছর ছিলেন নির্মাণ থেকে দূরে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমি ২০১২ সালে প্রথম নাটক নির্মাণ করি। নাটকটি থেকে সেসময় ভালো সাড়াও পেয়েছিলাম। কিন্তু তখন মনে হয়েছিলো আমার আরও স্টাডি প্রয়োজন। এরপর মুম্বাইতে ফিল্ম এণ্ড মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি, বিভিন্ন কোর্স করি। সেসব পড়াশোনাগুলো এখন নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাকে অনেক বেশি হেল্প করছে। দীর্ঘ একটা সময় পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করেছি।’

[৫] আট বছর পর ‘ফ্রোজেন কার’ নাটক দিয়ে নির্মাণে ফেরেন মারুফ। ২০২১ সালে নির্মাণ করেন ‘বিলোপ’ ও ‘আধারী’ নামের দুটি নাটক। এরপর ধারাবাহিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ এই নির্মাতা।

[৬] উল্লেখ্য, শুরুতে অভিনয়ের ইচ্ছে থাকলেও পরবর্তীতে পরিচালক হিসেবে শোবিজে জায়গা করে নেন তিনি। তরুণ এই নির্মাতার অর্জনে রয়েছে, মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ আরও বেশ কিছু সম্মাননা। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, নুসাইবা, আজ আকাশে চাঁদ নেই, হাসি, আদরের চাঁদ, কুমিরের দরজা, কথা বন্ধু, ভালো মানুষ ইত্যাদি। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়