শিরোনাম

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১:০৯ রাত
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১:৫৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শহীদ দিবস-আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিবেশনায় জবির সংগীত বিভাগ

জবি প্রতিনিধি: [২] মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত এবং একুশের গান পরিবেশনা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ। বুধবার (২১শে ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চার দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার উদ্ধোধন করা হয়।

[৩] শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ‘মুজিব শতবর্ষ যাদুঘর এবং আর্কাইভ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় রচিত জাতির পিতার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং মাতৃভাষা পিডিয়া এবং মার্টি লিঙ্গুয়াল পকেট ডিকশনারির মোড়ক উন্মোচন করেন ।

[৪] অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তব্যের পূর্বেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন সবাই। পরবর্তীতে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটিও পরিবেশন করেন জবির সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত সবাই তাদের গানের সাথে সুর মেলান। 

[৫] অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাতৃভাষা বাংলা সংরক্ষণ, চর্চা এবং শক্তিশালী করার পাশাপাশি সঠিক অনুবাদের মাধ্যমে শিল্প-সাহিত্যকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান।

[৬] জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের অবদানে অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিয়ে পরিবেশনার সুযোগ পায় সংগীত বিভাগ। জবির সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ঝুমুর আহমেদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ, ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী জেবুন্নেসা সরকার নিঝুম,রুদ্র দাস,স্বর্না তালুকদার ও অর্পিতা ভৌমিক, সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুনায়েদ আহমেদ রিফাত,ফাইম হাসান এবং স্বপ্না সাহা। দলে আরও ছিলেন বিভাগের (ডেমোনস্ট্রেটার-তবলা) শুষেণ কুমার রায়। 

[৭] এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে জবি উপাচার্যের অবদানে সংগীত বিভাগের এমন অংশগ্রহণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র‍্যান্ডিং হয়েছে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা। 

[৮] প্রসঙ্গত, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী। স্বাগত বক্তৃতা করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।

[৯] বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি এবং অফিস প্রধান সুজান ভাইজও বক্তব্য রাখেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়