শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৩:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষায় ওসমান হাদিকে নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণির এক পরীক্ষায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ঘিরে প্রশ্ন আসায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। ওসমান হাদি নিজেও এ বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হওয়া মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারের ‘পলিটিক্স অ্যান্ড ল : গ্লোবাল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনস, ইন্সট্রুমেন্টস অ্যান্ড ইস্যুজ’ শীর্ষক কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষার একটি প্রশ্নে ওসমান হাদির ‘জান দেবো, তবু জুলাই দেবো না’ এবং ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’ উক্তি দুটির ভিত্তিতে মানবাধিকারের জন্য তার সংগ্রাম ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।

একই পরীক্ষায় ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন ছিল। একটি ‘সিস্টেমেটিক টুল’ হিসেবে ‘আয়নাঘর’ কীভাবে স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছিল সেটি ব্যাখ্যা করতে বলা হয় পরীক্ষার্থীদের।

কোর্সটি পড়ান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদানে বর্তমানকে উপেক্ষা করার প্রবণতা রয়েছে। জুলাই বিপ্লব, আয়নাঘর, শহীদ ওসমান হাদির আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ সংগ্রাম ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ইনসাফের ধারণা– ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গবেষণা শুরু করেছে। অথচ আমাদের দেশে বিষয়গুলো উপেক্ষিত। এ বিষয়গুলোকে অ্যাকাডেমিক ডিসকোর্সের আওতায় এনে আমি আমার ছাত্রদের এ-সংক্রান্ত উচ্চতর গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করে তুলতে চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি কারণ রয়েছে। যারা এ বছর পরীক্ষা দিচ্ছে এবং গত বছর পরীক্ষা দিয়েছে তাদের অনেকেই জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক। তাদের সতীর্থদের অনেকেই শহীদ হয়েছে, অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, অনেকেরই চিরতরে চোখের আলো নিভে গেছে। এসব বীরদের অধিকার রয়েছে তাদের নিজেদের তৈরি ইতিহাসকে নিয়ে চর্চা করার।

উল্লেখ্য, গত বছরও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের একই কোর্সের পরীক্ষায় জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন এলে বিষয়টি সেসময়ও আলোচনায় আসে।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়