ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট: চলতি বছর বাংলাদেশের অর্থনীতি ৫১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির আকারে যা ডেনমার্ক, রোমানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও হংকংয়ের মতো উন্নত অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ভিত্তিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটি ২০২৬ সালে ডেনমার্কের জিডিপি ৫০৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর আভাস দিয়েছে। একই সময় রোমানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও হংকংয়ের অর্থনীতি যথাক্রমে ৪৮১, ৪৮০ ও ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
কানাডার গণমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে প্রকাশিত ‘দ্য ১২৬ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ভিত্তিতে এ তালিকা করা হয়েছে।
একটি দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় নির্ণায়ক জিডিপি। একটি দেশে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (পণ্য ও পরিষেবা) মোট মূল্য উঠে আসে জিডিপিতে।
বিশ্বের ১৯৫টি দেশের তালিকায় ৩৭তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। এরপর ডেনমার্কের (৩৮তম) অবস্থান। এ ছাড়া রোমানিয়া (৩৯তম), দক্ষিণ আফ্রিকা (৪০তম) ও হংকং (৪১তম) অর্থনীতির দেশ। তালিকায় বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া।
তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জার্মানি, জাপান ও যুক্তরাজ্য। এই পাঁচটি দেশের জিডিপি যথাক্রমে ৩২ হাজার ৩৮৪, ২০ হাজার ৮৫২, ৫ হাজার ৪৫৩, ৪ হাজার ৩৭৯ ও ৪ হাজার ২৬৫ বিলিয়ন ডলার। পাঁচটি দেশ বৈশ্বিক জিডিপির ৫৩ দশমিক ৩ শতাংশ উৎপাদন করে। এর মধ্যে বৈশ্বিক জিডিপির এক-চতুর্থাংশের (২৫ দশমিক ৬ শতাংশ) বেশি যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের বাকি পাঁচটি হচ্ছে যথাক্রমে ভারত, ফ্রান্স, ইতালি, রাশিয়া ও ব্রাজিল। সূত্র: আগামীর সময়