শিরোনাম
◈ পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘ভারতীয় প্রক্সি’ গোষ্ঠীর ৩৪ সদস্য নিহত ◈ রাজনীতি করার জন্য একটু ‘স্পেস’ চায় আওয়ামী লীগ! ◈ ছয় আসন, বড় লক্ষ্য: ছাত্রনেতৃত্বাধীন এনসিপির সামনে এখন কী? তৃতীয় শক্তি কি গড়ে উঠতে পারবে? ◈ অভিযুক্ত সিয়াম গ্রেফতার, ছুরি ও জামা উদ্ধার: স্কুলছাত্রী হত্যা ◈ একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস ◈ উত্তর-পশ্চিমে পরিবর্তনের ইঙ্গিত: অবহেলিত প্রান্তে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ◈ বিএনপি সরকারের পদক্ষেপ ভালো, তবে সমালোচনাও আছে ◈ পবিত্র রমজান মাসে একদিনে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যায় নতুন বিশ্বরেকর্ড ◈ কষ্টের জয়ে চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গের শেষ ষোলোয় রিয়াল মা‌দ্রিদ ও পিএসজি

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথমবার ব্যবসায়ী গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পোশাক খাতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী চার বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

গভর্নর হিসেবে সাধারণত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক আমলা, বা ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও আমলার বাইরে এই প্রথম একজন ব্যবসায়ীকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা এ খাত সংশ্লিষ্ট অনেককে বিস্মিত করেছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন মোস্তাকুর রহমান। নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও চিন্তা ভাবনা বাস্তবায়নের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে গভর্নর পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এদিকে বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ না করায় খেলাপি হয়ে পড়ে নতুন নিয়োগ পাওয়া গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের শিল্প প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটার্স। তবে গত ডিসেম্বরে ঋণটি রি-শিডিউল (পুনঃনবায়ন) করেন ২ শতাংশ পরিশোধ করে। এখন তিনি খেলাপি নন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আহসান এইচ মনসুরের বিদায়টা সুখকর হলো না। নিয়োগ বাতিলের আগে কয়েক দিন ধরে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এরপর তার নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি মো. মোস্তাকুর রহমানকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এ নিয়ে দিনভর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উত্তেজনা চলে। মোতায়েন করা হয় বাড়তি পুলিশ।

নবনিযুক্ত গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ১৯৬৬ সালের ১২ই মে জন্মগ্রহণ করেন। পেশায় একজন হিসাববিদ। পাশাপাশি একজন ব্যবসায়ী। পেশাগত জীবনে ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। মোস্তাকুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস্‌ অব বাংলাদেশ থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পোশাক কারখানা হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। হেরা সোয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা।

ডিসেম্বরে খেলাপিমুক্ত হন মোস্তাকুর: বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ না করায় খেলাপি হয়ে পড়ে নতুন নিয়োগ পাওয়া গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের হেরা সোয়েটার্স। গত ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে আলোচনার সময়ে ঋণটি ‘রি-শিডিউল’(পুনঃনবায়ন) করেন ২ শতাংশ পরিশোধ করে। বেসরকারি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে খেলাপি হওয়া ৮৬ কোটি টাকার ঋণটি নবায়ন করেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তা ও হেরা সোয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাকুর রহমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করার একটি সার্কুলার দেয়া হয়। সেই সার্কুলারের আলোকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে মোস্তাকুর রহমান ঋণটি নবায়ন করে নেন।

বেসরকারি ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যে পলিসি সাপোর্ট দিয়েছে, সেই সার্কুলারের আলোকে তিনি রি-শিডিউল করার আবেদন করেন। দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্টে তাতে বোর্ড এগ্রি করে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি সার্কুলার নং-৭ ও একই বছরের নভেম্বরের সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রথম দফার সার্কুলার নভেম্বরে আরও শিথিল করার পরে তৃতীয় দফায় ফের গত ২২শে ফেব্রুয়ারি ডাউন পেমেন্ট ২ শতাংশের বদলে এক শতাংশ পরিশোধ করার সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অবশিষ্ট এক শতাংশ ঋণটি নবায়ন করার পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে দেয়ার শর্ত জুড়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকে দিনভর যা হলো: বুধবার সকালে বিভিন্ন দাবি পূরণ এবং তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো ও বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এসব দাবি না মানলে গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কলমবিরতিতে যাবেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা, এমন ঘোষণা দেয়া হয় সমাবেশ থেকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের ‘স্বৈরাচারী’ আচরণের প্রতিবাদে সংস্থাটির সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

প্রতিবাদ সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, আমরা চেয়েছি বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন, কিন্তু পেয়েছি স্বৈরশাসন। আমাদের কিছু ন্যায্য দাবি নিয়ে বারবার গভর্নরের কাছে গিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি সেগুলো আমলে নেননি। বরং উনি দমন-নিপীড়নের আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ বলেছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা। ৮ দিনের মাথায় গত মঙ্গলবার ওই তিন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়। এর আগে গত সোমবার তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।

আহসান এইচ মনসুর যা বললেন: কর্মকর্তাদের প্রতিবাদ সভার পর আহসান এইচ মনসুর দুপুরে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কিছু কর্মকর্তা স্বার্থান্বেষী মহলের ইশারায় পরিচালিত হয়ে প্রতিষ্ঠানের মানমর্যাদা ক্ষুণ্ন করছেন। কর্মকর্তাদের অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভিস রুলস মেনে চলতে হবে। যদি কেউ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার বাইরে গিয়ে কাজ করতে চান, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা রক্ষায় কোনো প্রকার অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। গভর্নর বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে যখন খাতটি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিটি পদক্ষেপকে হতে হবে আইনি ও প্রশাসনিক বিধিমালা অনুযায়ী সুসংহত।

গভর্নরের পদত্যাগ চান কর্মকর্তারা- এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আহসান মনসুর সাংবাদিকদের বলেন, পদত্যাগ করতে আমার মাত্র দুই সেকেন্ড সময় লাগবে। আমি এখানে এসেছি জাতির সেবা করতে। দেশের এই সংকটকালীন সময়ে জাতীয় কর্তব্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।

গভর্নর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, একটি কুচক্রী মহল সাধারণ কর্মকর্তাদের ভুল পথে পরিচালিত করে ব্যাংকগুলোকে আবার সেই পুরনো ‘লুটেরা’ মালিকদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ব্যাংকগুলোকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে এবং কোনোভাবেই আগের ঋণখেলাপি মালিকদের কাছে এগুলো ফেরত যেতে দেয়া হবে না।

এদিকে ‘গভর্নরকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে’- এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর আহসান এইচ মনসুর হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্যাগ করেন। তখন উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবরে শুনেছি।’

‘মব’ তৈরি করে বের করা হলো গভর্নরের উপদেষ্টাকে: আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকে সংবাদ সম্মেলন করার পরই আলোচনা শুরু হয় নতুন গভর্নর নিয়োগের। এরপরই আহসান এইচ মনসুর বাসায় চলে যান। বাসায় চলে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাকে বিদায় জানান। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ‘মব’ তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে বের করে দেন। তারা ‘ধর ধর’ বলে স্লোগান দেন। কেউ কেউ গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেন। এ সময় আহসান উল্লার ঘাড় ধরে গাড়িতে তোলায় নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া নির্বাহী পরিচালক সরোয়ার হোসেন, পরিচালক নওশাদ মোস্তফা, অতিরিক্ত পরিচালক তানভীর আহমেদসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যমে যা বললেন নতুন গভর্নর: ব্যাংকিং খাতে ‘আস্থা বাড়ানোকে’ মূল কাজ ধরে নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরু দায়িত্ব শুরু করতে চান নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। একইসঙ্গে সুদের হার কমিয়ে আনার চেষ্টাও তার অগ্রাধিকারে থাকবে বলে দেয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নতুন দায়িত্ব পাওয়া এই ব্যবসায়ী। এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাকুর রহমান বলেন, আসলে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের যে অবস্থা তাতে এই সময়টায় এই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করা তো ‘একটা চ্যালেঞ্জ আছে’। ইনশাআল্লাহ, আগে ব্যাংকে বসি। সবার সঙ্গে আলোচনা করি। আশা করি সবার সহযোগিতা নিয়ে প্রধান কাজটা হবে- আগে ‘ট্রাস্ট বিল্ডিং’ ব্যাংকিং খাতে। শৃঙ্খলা আরও ফিরিয়ে নিয়ে আসা। নিশ্চয়ই আগের গভর্নর (আহসান এইচ মনসুর) অনেকখানি নিয়ে আসছে, আরও নিয়ে আসা।

সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কৌশল ও সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনতে পারতো। হঠাৎ করে গভর্নর পদে পরিবর্তনে ভালো বার্তা যায় না। আহসান এইচ মনসুর জ্ঞানী মানুষ, তিনি ভালো করছিলেন। তার সময়ে অনেক ভালো কাজ হয়েছে। গভর্নরের পদটা সংবেদনশীল পদ। তাকে দেশের আর্থিক নীতি, বিদেশি ঋণ, দাতা সংস্থাসহ নানা পর্যায়ে যোগাযোগ রাখতে হয়। ওইদিকে নতুন গভর্নর নিয়োগের বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। একজন ব্যবসায়ীকে এই পদে নিয়োগ দেয়ার সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করেন। এরপর ওই বছরের ১৩ই আগস্ট আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়। ২০২৮ সালের আগস্টে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

রাজনৈতিক সমালোচক ফাহাম আব্দুস সালাম এক ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘মনসুর সাহেব একজন হিরো। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যে মানুষগুলো এই দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত ব্যাংকিং সিস্টেমকে ঠ্যাক দিছে এবং রিভাইভ করেছে - তাদের প্রধান তিনি। এইরকম একজন হিরোকে যদি মব করে তার প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিতে হয় - আমি দুঃখিত! আপনারা এখনো লায়েক হন নাই। আপনারা মানুষকে সম্মান দিতে শিখেন নাই। লোভে পড়ে আপনারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন। আ ভেরি ব্যাড ডে ফর বাংলাদেশ!’

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়