শিরোনাম
◈ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ ◈ আজ জামায়াতের ‘ক্লিন ঢাকা মহানগরী’ কর্মসূচি ঘোষণা ◈ খেলোয়াড়দের আমি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেব : আমিনুল হক ◈ মধ্যপ্রাচ্যে একদিনে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করলো যুক্তরাষ্ট্র ◈ স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ল নোয়াখালী ◈ বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা দিয়ে শুরু প্রধানমন্ত্রীর নতুন অধ্যায়, নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা ◈ স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রীশূন্য নোয়াখালী ◈ অগ্নিপরীক্ষার মুখে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু: ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট ◈ নির্বাচনি বাটোয়ারা মেনে নিয়ে এখন বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করেন: মাহফুজ আলম ◈ গায়কসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী কলকাতায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বোয়ালমারীতে সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

সনতচক্রবর্ত্তী: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সোনালী (পাটের) আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট। বাজারে দামও বেশ ভালো যাচ্ছে। পাটের  আঁশ সংগ্রহ, ধোয়া ও শুকানোর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে বোয়ালমারীতে।

কয়েক দিন বোয়ালমারীর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, নারী-পুরুষ মিলে রাস্তার পাশে বসে কিংবা বাড়ির উঠোনে বসে গাছ পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন।

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে যখন বর্ষার পানিতে খাল-বিল, ডোবা-নালা ভরে ওঠে সোনালী স্বপ্ন নিয়ে সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে বেড়ে যায় কৃষক-কৃষাণীর ব্যস্ততা। প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমে বোয়ালমারীতে নতুন পাট ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা। এখন চলছে পাটের আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর কাজ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডোবা ও বিলের পানির মধ্যে জাগ (পচাতে) দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন কৃষক। শুধু কৃষক নয় এলাকায় পাটকাঠির চাহিদা থাকায় কৃষকদের সঙ্গে প্রতিবেশিরাও আঁশ ছাড়িয়ে দিয়ে পাটকাঠি সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের কৃষক হাচান বিশ্বাস জানান, এবার তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই ৩ বিঘা জমির পাট কেটেছেন। এ পাট জাগ দিয়ে আঁশ সংগ্রের পর এখন বাঁশের আড়ের উপর শুকাচ্ছেন।

মৌসুমের শুরুতেই পাট বিক্রি করে ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। ফলনও হয়েছে ভালো। উপজেলার সাতৈর, ময়েনদিয়া, বড়গাঁ, সহস্রাইল হাট-বাজার গুলোতে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ১শ’ থেকে ৩ হাজার ২টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম হোড় বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন ছিল না।  দামও ভালো থাকায় এ বছর কৃষকরা বেশি লাভবান হবেন। সম্পাদনা: হ্যাপী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়