শিরোনাম
◈ পদত্যাগ করলেও মন্ত্রিপাড়ার সরকারি বাসা ছাড়েনি আসিফ ও মাহফুজ ◈ ডিম হামলা, হাতাহাতি, ভাঙচুর; ভোটের মাঠে কথার লড়াই কি সংঘাতে গড়াচ্ছে? ◈ স্ত্রী-সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমাকে জামিন দেওয়া হলো: সাদ্দাম (ভিডিও) ◈ চাঁদে আঘাত হানতে পারে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি ◈ তারেক রহমানের পাশে বসা ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি ◈ বিএনপি সরকার গঠন করলে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার আশা করি: জি-২৪ ঘণ্টাকে শেখ হাসিনা ◈ রমজানে মক্কা–মদিনায় তারাবিহ হবে ১০ রাকাত, সিদ্ধান্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের ◈ বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যু ◈ তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: রাজনীতি, বিতর্ক ও ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর প্রত্যাশা ◈ ভারতীয় অপতথ্যের ফাঁদে বাংলাদেশ, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ভুয়া খবর

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বোয়ালমারীতে সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

সনতচক্রবর্ত্তী: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সোনালী (পাটের) আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট। বাজারে দামও বেশ ভালো যাচ্ছে। পাটের  আঁশ সংগ্রহ, ধোয়া ও শুকানোর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে বোয়ালমারীতে।

কয়েক দিন বোয়ালমারীর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, নারী-পুরুষ মিলে রাস্তার পাশে বসে কিংবা বাড়ির উঠোনে বসে গাছ পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন।

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে যখন বর্ষার পানিতে খাল-বিল, ডোবা-নালা ভরে ওঠে সোনালী স্বপ্ন নিয়ে সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে বেড়ে যায় কৃষক-কৃষাণীর ব্যস্ততা। প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমে বোয়ালমারীতে নতুন পাট ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা। এখন চলছে পাটের আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর কাজ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডোবা ও বিলের পানির মধ্যে জাগ (পচাতে) দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন কৃষক। শুধু কৃষক নয় এলাকায় পাটকাঠির চাহিদা থাকায় কৃষকদের সঙ্গে প্রতিবেশিরাও আঁশ ছাড়িয়ে দিয়ে পাটকাঠি সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের কৃষক হাচান বিশ্বাস জানান, এবার তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই ৩ বিঘা জমির পাট কেটেছেন। এ পাট জাগ দিয়ে আঁশ সংগ্রের পর এখন বাঁশের আড়ের উপর শুকাচ্ছেন।

মৌসুমের শুরুতেই পাট বিক্রি করে ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। ফলনও হয়েছে ভালো। উপজেলার সাতৈর, ময়েনদিয়া, বড়গাঁ, সহস্রাইল হাট-বাজার গুলোতে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ১শ’ থেকে ৩ হাজার ২টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম হোড় বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন ছিল না।  দামও ভালো থাকায় এ বছর কৃষকরা বেশি লাভবান হবেন। সম্পাদনা: হ্যাপী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়