শিরোনাম
◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের অগ্রগতি, সমঝোতার পথে বাংলাদেশ ◈ আই‌সি‌সি থে‌কে জয় শাহকে ‘গদিচ্যুত’ করার সুবর্ণ সুযোগ! বাংলা‌দে‌শের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ সা‌বেক‌দের ◈ ‌বি‌পিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে শান্তরা পেলো ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ◈ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি  ◈ আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে নিয়ে দিলো বার্তা ◈ বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে না : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বোয়ালমারীতে সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত পাট চাষিরা

তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

সনতচক্রবর্ত্তী: ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সোনালী (পাটের) আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট। বাজারে দামও বেশ ভালো যাচ্ছে। পাটের  আঁশ সংগ্রহ, ধোয়া ও শুকানোর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে বোয়ালমারীতে।

কয়েক দিন বোয়ালমারীর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, নারী-পুরুষ মিলে রাস্তার পাশে বসে কিংবা বাড়ির উঠোনে বসে গাছ পাট থেকে আঁশ সংগ্রহ করছেন।

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে যখন বর্ষার পানিতে খাল-বিল, ডোবা-নালা ভরে ওঠে সোনালী স্বপ্ন নিয়ে সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে বেড়ে যায় কৃষক-কৃষাণীর ব্যস্ততা। প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমে বোয়ালমারীতে নতুন পাট ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা। এখন চলছে পাটের আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর কাজ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডোবা ও বিলের পানির মধ্যে জাগ (পচাতে) দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন কৃষক। শুধু কৃষক নয় এলাকায় পাটকাঠির চাহিদা থাকায় কৃষকদের সঙ্গে প্রতিবেশিরাও আঁশ ছাড়িয়ে দিয়ে পাটকাঠি সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের কৃষক হাচান বিশ্বাস জানান, এবার তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই ৩ বিঘা জমির পাট কেটেছেন। এ পাট জাগ দিয়ে আঁশ সংগ্রের পর এখন বাঁশের আড়ের উপর শুকাচ্ছেন।

মৌসুমের শুরুতেই পাট বিক্রি করে ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। ফলনও হয়েছে ভালো। উপজেলার সাতৈর, ময়েনদিয়া, বড়গাঁ, সহস্রাইল হাট-বাজার গুলোতে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ১শ’ থেকে ৩ হাজার ২টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ভালো ফলন ও আশানুরুপ দাম পেয়ে বিগত বছরগুলোর লোকসানে পড়া কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম হোড় বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন ছিল না।  দামও ভালো থাকায় এ বছর কৃষকরা বেশি লাভবান হবেন। সম্পাদনা: হ্যাপী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়