শিরোনাম
◈ ৬০ হাজার টন ডিজেল আসছে মালয়েশিয়া থেকে ◈ বৈশাখে ইলিশ আকাশছোঁয়া, সবজিতেও আগুন: মধ্যবিত্তের পান্তা-ইলিশ এখন স্বপ্ন ◈ সাতটি আইডি দিয়ে ছড়ানো হয় ভিডিও, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন রাজনৈতিক দলের নেতা ◈ মাত্র এক ইঞ্চি দূরে থাকা চুক্তি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যায়: আরাগচি ◈ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ ◈ প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনে থাকছে সুড়ঙ্গ ও টানেল যা বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে পরিবারকে সুরক্ষা দেবে ◈ ইরানে নতুন করে হামলার চিন্তা ট্রাম্পের, দাবি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ◈ আবারও রিয়াল মাদ্রিদে ফিরছেন টনি ক্রুস ◈ নাইজেরিয়ায় ভুলবশত বিমান হামলা, নিহত ১০০ ছাড়াল ◈ রাজধানীর সড়কে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমে যুক্ত করল ডিএমপি

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২৪, ০৪:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৫, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজার কোটি টাকার বেশি তারল্য ঋণ পেল দুর্বল ৫ ব্যাংক

সবল ব্যাংক থেকে আর্থিক সহায়তা ঋণ হিসেবে তারল্য ঋণ পেয়েছে দুর্বল ৫ ব্যাংক। এখন পর্যন্ত ৬টি সবল ব্যাংক তারল্য দিয়েছে হাজার কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারল্য সহায়তা পাওয়া ব্যাংক গুলো হচ্ছে: ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক।

দুর্বল এ ব্যাংকগুলোকে দেওয়া ঋণের গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো: সবল ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া ঋণের টাকা দুর্বল ব্যাংকগুলো দিতে ব্যর্থ হলে, সেই টাকা ৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ফেরত দেবে।

জানা গেছে: কোনো ব্যাংক ঋণ দেওয়ার জন্য কোনো টাকা নিতে পারবে না। কোন ব্যাংককে কত টাকার তারল্য–সহায়তা দেওয়া হবে, সেটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া দুই ব্যাংকের সমঝোতার ভিত্তিতে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্যারান্টির মানে হলো, কোনো কারণে কোনো ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই টাকা দেবে। আপাতত কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি টাকা না দিয়ে অন্য ব্যাংক থেকে ধারের ব্যবস্থা করছে। অর্থাৎ বাজারের টাকা এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে যাবে। ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি প্রভাব পড়বে না।

সংকটে পড়া সাত ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার তারল্য-সহায়তা চেয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক ৫ হাজার কোটি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ২ হাজার কোটি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ৭ হাজার ৯০০ কোটি, ইউনিয়ন ব্যাংক ১ হাজার ৫০০ কোটি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক সাড়ে ৩ হাজার কোটি, ন্যাশনাল ব্যাংক ৫ হাজার কোটি ও এক্সিম ব্যাংক ৪ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে। ইতিমধ্যে হাজার কোটি টাকার বেশি দেওয়া হয়েছে। চ্যানেল আই অনলাই

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়