শিরোনাম
◈ দেশের যেসব অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা ◈  সরকার থেকে বরাদ্দ করলে সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানির প্রয়োজন নেই: সংসদে আলোচনা ◈ ঈদে যানজট এড়াতে ডিএমপির ২২ নির্দেশনা ◈ ব্রিকসকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে বাংলাদেশের: ডা. দীপু মনি ◈ পল্টনে ফাইন্যান্স টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে ◈ নেপিয়ার ঘাস খেয়ে মারা গেলো খামারের ২৬ গরু ◈ এমপি আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ সাধারণ নাগরিকের মতো করেই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ◈ ড. ইউনূসের কথা অসত্য, জনগণের জন্য অপমানজনক: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৪, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৪, ০৮:৩৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খেলাপি ঋণের মডেলই এখন দেশে বিজনেস মডেল: সালেহউদ্দিন আহমেদ

মনজুর এ আজিজ: [২] বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আর ফেরত দেয় না, বর্তমানে দেশে এ মডেল চলছে। খেলাপি ঋণের এ মডেলই এখন দেশের বিজনেস মডেলে পরিণত হয়েছে। 

[৩] সোমবার সম্পাদক পরিষদ ও সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) আয়োজিত ‘অর্থনীতির চালচিত্র ও প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫’ শীর্ষক আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

[৪] প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো নতুনত্ব নেই এমন মন্তব্য করে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাজেটটা দেওয়া হয়েছে চ্যালেঞ্জিং সময়ে। এতে কোনো নতুনত্ব দেখছি না। আগের বাজেটের অঙ্ক শুধু এদিক-সেদিক করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, সংকোচনমূলক বাজেট, অথচ বাজেটের ঘাটতি দেখে তা মনে হয় না।

[৫] বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে এবং এতে বেসরকারি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে তিনি বলেন, ‘সরকার যদি বেশি ঋণ নেয়, তাহলে বেসরকারি খাত ঋণ পাবে কীভাবে? আর বেসরকারি খাত ঋণ না পেলে কর্মসংস্থান হবে কীভাবে।’ প্রস্তাবিত বাজেটের কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[৬] আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে সুদহার ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না। কারণ মূল্যস্ফীতি যে পর্যায়ে গেছে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এজন্য বাজার তদারকি ও সরবরাহ বাড়াতে হবে।

[৭] তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের মর মর অবস্থা এবং সুশাসনে চরম ঘাটতি চলছে। প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার যে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে, তা উচিত হয়নি। এ মুহূর্তে এডিপির আকার এক থেকে দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি করার দরকার ছিল না।

[৮] নতুন করে যে ১ হাজার ২৮৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তার সমালোচনা করে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা অর্ধেক করে দিলেই সরকারের ঋণ নির্ভরতা ও বাজেট ঘাটতি কমবে। বাজেটের নীতি কৌশল ও দর্শনে বলিষ্ঠ কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। অথচ এ সময়ে সেটাই দরকার ছিল।

[৯] তিনি বলেন, বাজেট করতে হবে পারফরম্যান্সনির্ভর। কিছু সংস্থা দরকার হলে বন্ধ করে দিতে হবে। আর কিছু সংস্থার জনবল কমাতে হবে। শুধু বাজেটের অঙ্ক এদিক-সেদিক করে কোনো লাভ নেই। সূর্যের আলোর মতো স্বচ্ছ হলে যে আকারেরই বাজেট হোক না কেনো তাতে কোনো সমস্যায় থাকতো না। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়