শিরোনাম
◈ ভারতে বসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ছক কষছেন নির্বাসিত আওয়ামী লীগ সদস্যরা: দ্য গার্ডিয়ান ◈ জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক ◈ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যে কারণে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী (ভিডিও) ◈ সম্পদের হিসাবে শীর্ষে যে ১০ প্রার্থী: হলফনামার তথ্য ◈ নতুন আইসিসি গঠনের দাবি পা‌কিস্তা‌নের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের ◈ ভোটের পর নতুন সরকারের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ আসলে কোনগুলো ◈ পে স্কেল বাস্তবায়নে সময় লাগবে, তবে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয়: সালেহউদ্দিন আহমেদ ◈ এস আলমের মামলায় ব্রিটিশ ল ফার্ম নিয়োগ, ঘণ্টায় ব্যয় দেড় লাখ টাকা ◈ নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান ◈ সরকারী আদেশে বিমানের নতুন এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন হুমায়রা সুলতানা

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৪:৪৫ দুপুর
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০৪:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধু ক‌বির ভালবাসায়

৩৩ বছর বিনা বেতনে শ্রম দিচ্ছেন শামসুর রহমান

শামসুর রহমান

রহিদুল খান, চৌগাছা (যশোর): দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে বিনা বেতনে মধুসূদন মিউজিয়াম দেখভাল করছেন ষাটোর্ধ শামসুর রহমান। মধুকবির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। পর্যটকরা প্রতিনিয়ত এ মধুসূদন মিউজিয়ামে এসে কবির স্মৃতি বিজড়িত সংগ্রহশালা দেখে মুগ্ধ হন।

মধুসূদন মিউজিয়ামে আলো জ্বালিয়ে আলোকিত করা এ মানুষটির জীবনের আলো নিভে গেলে ওই প্রতিষ্ঠানের কী হবে এটা নিয়েই দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তিনি।

জানা গেছে, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি কেশবপুরের   সাগরদাঁড়িতে ১৯৮৯ সালের ২৬ জানুয়ারি মধুসূদন মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্থানীয় শামসুর রহমান নামে এক মধুপ্রেমী মধুসূদনের সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা দেখভাল করেন।

এখানে রয়েছে মধুকবির ছবিসহ তার দুই স্ত্রী, কবির বংশধরদের ছবিসহ তথ্য, ১২০ বছর আগের কবির বাড়ির ছবি, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে লেখা কবির চিঠি, তার শিক্ষকদের ছবিসহ তথ্য, কবিকে নিয়ে বিভিন্ন লেখকের লেখা বই, কবির পড়াশোনা করা হিন্দু কলেজ ও মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ছবি। এছাড়াও রয়েছে স্মৃতিফলক, পুরুলিয়া গীর্জায় মধুসূদনের নামসংক্রান্ত তালিকাসহ অসংখ্য তথ্য।

প্রতিদিন সকালে এসে মধুসূদন মিউজিয়ামের দরজা খোলেন তিনি। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকরা একবারের জন্য হলেও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মিউজিয়াম ঘুরে কবিকে নিয়ে তৈরি সংগ্রহশালা দেখে যান। তার আন্তরিকতায়ও মুগ্ধ হন পর্যটকরা। এভাবেই প্রতিনিয়ত বিনা পারিশ্রমিকে মধুসূদন মিউজিয়ামে আসা-যাওয়ার মধ্যেই কেটে গেছে শামসুর রহমানের জীবনের সোনালী দিনগুলো।

তিনি বলেন, ‘বিনা পারিশ্রমিকে মধুকবির প্রতি ভালোবাসা থেকেই এ প্রতিষ্ঠানের দেখভাল করে যাচ্ছি। আমার বয়স এখন একষট্টি বছর। আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন পর্যন্ত দেখাশুনা করবো। তবে আমার মৃত্যুর পর এ প্রতিষ্ঠানের কী হবে সেই ভাবনাতে চিন্তিত থাকি। মধুপ্রেমীদের জন্য এ প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে সরকারের সাহায্য কামনা করছি।

মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি খসরু পারভেজ বলেন, মিউজিয়ামের দায়িত্বরত শামসুর রহমান বিনা বেতনে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কাজ করছেন। যা প্রশংসার দাবি রাখে। মাঝেমধ্যে মিউজিয়ামে থাকা আমাদের প্রকাশনার বই বিক্রি হলে সেটা থেকে তিনি সামান্য কিছু সম্মানি পান। মধুসূদন মিউজিয়ামকে এগিয়ে নিতে এখন প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার

প্রতিনিধি/একে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়