হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ে কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ফরিদপুরের সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলাটিতে সরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৩৮৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২৬ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।
এছাড়া ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৬৩ জন, মধুখালীতে ২৩ জন, বোয়ালমারী ও ভাঙ্গায় ২১ জন করে, নগরকান্দায় ১৩ জন, চরভদ্রাসনে ১০ জন, আলফাডাঙ্গায় ৫ জন এবং সদরপুর ও সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ফরিদপুরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। আর চলতি বছরে এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “ডেঙ্গু চিকিৎসায় জেলার প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কেবল চিকিৎসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে দিনে ও রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের বিকল্প নেই।”