শিরোনাম
◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবার শেষ ইচ্ছাও পূরণ হলো না, ভেলায় ভাসিয়ে লাশ নিয়ে দাফন

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সাতকানিয়ায়-বাঁশখালীতে দুর্ভোগ যেন সীমা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে দাফনের জন্য ভেলায় ভাসিয়ে নেওয়া মোহাম্মদ ফোরকানের কফিনটি।

পারিবারিক কবরস্থান কোমর পানিতে ডুবে যাওয়ায় বানের পানিতে ভেলা বানিয়ে তার ওপর কফিন রেখে নিয়ে যাওয়া হয় ৩০০ মিটার দূরের উঁচু এলাকায়। তারপর অটোরিকশায় আরও দুই কিলোমিটার। অতঃপর দাফন। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) জনার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে এ ঘঠনা ঘটে।

 স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেওে বন্যার পানিতে জাল দিয়ে মাছও ধরেছিলেন ফোরকান। হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন তিনি।

এরপর বাড়িতেই মারা যান। কিন্তু পারিবারিক কবরস্থান ডুবে থাকায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। 
ফকির মুড়া ঈদগাহ এলাকায় রাত ১০টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে সেখানে পাহাড়ের খাস জায়গায় দাফন করা হয় ফোরকানকে। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর বড় ছেলে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।

মো. ফোরকানের ছেলে রাসেল উদ্দিন জানান, বাড়ির পাশেই পারিবারিক কবরস্থান আছে। আমার দাদা-দাদিসহ পরিবারের মুরুব্বিদের সেখানে কবর দেওয়া হয়েছে। বাবাও বলতেন, তাঁকে দাদা-দাদির পাশেই কবর দিতে। কিন্তু বন্যার কারণে বাবার সেই ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব হলো না বন্যার কারণে। 

সাতকানিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, মাছ ধরতে গিয়ে ফোরকান স্ট্রোক করেন। পরে বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ফোরকানের বাড়ির এলাকায় প্লাবিত হওয়ায় কিছুটা দূরে নিয়ে সরকারি খাস জায়গায় দাফন করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘লাশটি এভাবে ভেলায় ভাসিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আমাদের অনেক স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুত ছিল। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে আমরা দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতাম।’

 

  • সর্বশেষ