শিরোনাম
◈ ট্রাম্প কি বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে পারবেন? সমর্থকদের জল্পনা ◈ অবশেষে দেড় লাখ টাকায় মীমাংসা, ১২ দিন অনশনের শেষে প্রেমিকের বাড়ি ছাড়লেন নুসরাত! ◈ শেরওয়ানির জন্য আড়াই ঘণ্টা ফ্লাইট আটকে রাখলেন বিমান কর্মকর্তা, ভোগান্তিতে শতাধিক যাত্রী ◈ এডিপিতে প্রকল্পের জট বাড়ছেই, সময় ও ব্যয় দুটোই ঊর্ধ্বমুখী ◈ বিশ্বকাপের খেলা ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, বড় স্ক্রিনে থাকবে পুলিশের নজর ◈ বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠতায় নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল ◈ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালেমাখচিত পতাকা মিছিল, নেপথ্যে কী? ◈ মারামারি নয়, ‌বিশ্বকা‌পের খেলা উপভোগ করুন : বাংলা‌দে‌শি ভক্ত‌দের শান্তির বার্তা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতের ◈ বাংলাদেশ-ইরান স্পিকারের বৈঠক, শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত ◈ মিয়ানমারে কী ঘটছে, কেন আতঙ্কে বাংলাদেশ সীমান্ত?

প্রকাশিত : ০৩ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২৬, ০১:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে আবারও নেমেছে ধস, বাড়ছে আতঙ্ক

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান। 

সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১০টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে ২০১৮ সাল থেকে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।

কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা মো. খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ব।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, ‘প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। আশা হচ্ছে ২-১ দিনের মধ্যে বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত হবে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়