ইফতেখার আলম বিশাল : “মাদকের বিরুদ্ধে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মহানগরীতে মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।” — এমন মন্তব্য করেছেন আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান।
শনিবার (৬ জুন) নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক অভিযানে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ৫৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৫ কেজি গাঁজা, মাদক বিক্রির নগদ ৩৯ হাজার টাকা এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বাঘা উপজেলার ভানুকর (মীরগঞ্জ) এলাকার মো. মোশারফ হোসেন (৪২), রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা নিমতলা মোড় এলাকার মো. আকবর আলী (৩২), ডিঙ্গাডোবা মোজাম্মেলের মোড় এলাকার মো. সাকিব ওরফে অন্তর (২৬), দাশপুকুর আলীর মোড় এলাকার মো. সিফাত হোসেন ওরফে কাউসার (২৪) এবং দাশপুকুর এলাকার মো. নাসির উদ্দীন (৩৫)।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান জানান, গত শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে চন্দ্রিমা ও বোয়ালিয়া থানার যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ২ হাজার ৫৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক বিক্রির ৩৯ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, একই দিন রাত ৯টার দিকে রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ব্যাংক কলোনি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আকবর, সাকিব, সিফাত ও নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মাদক প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যবহৃত চারটি কাঁচি ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত মোশারফের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া সাকিব ও সিফাতের বিরুদ্ধে একটি করে মাদক মামলা এবং নাসিরের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ও জুয়া আইনে দুটি মামলা চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।