ভারতে চিকিৎসাধীন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কয়েকটি পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে তার নামে তৈরি করা ‘মৃত্যুর গুজব’ সংক্রান্ত ফটোকার্ড ভাইরাল হয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ তার পরিবার।
কারিনার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, মৃত্যু নিয়ে এ ধরনের গুজব কারও কাছ থেকে কখনোই কাম্য নয়। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমরা যেকোনো সময় মারা যেতে পারি, দুই মিনিটের কোনো গ্যারান্টি নেই। তারপরও মৃত্যুর মতো একটি সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এমন ব্যবসা উচিত নয়।
কায়সার হামিদ বলেন, আমাদের পরিবার এমনিতেই কারিনার স্বাস্থ্য নিয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন। এ অবস্থায় সবার মানসিক সাপোর্ট প্রয়োজন। দয়া করে কেউ এ ধরনের কাজ করবেন না।
মেয়ের সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানিয়ে তিনি বলেন, ফুসফুসে কিছুটা ইনফেকশন আছে, যা ধীরে ধীরে রিকভারি করছে। এরপর লিভারের চিকিৎসা শুরু হবে। তবে এরই মাঝে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ শুরু হয়েছে। আমার দুই ছেলের কিছু টেস্ট হয়েছে গতকাল। ৪৮ ঘণ্টা পর সেসবের রিপোর্ট আসবে।
এর আগে এ অভিনেত্রীর পরিবার থেকে জানানো হয়, তার দুই ভাইয়ের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন লিভার ডোনেট করবেন বোন কারিনা কায়সারকে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে জ্বর হয় কারিনা কায়সারের। পরে শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে আইসিইউতে এবং পরে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় তাকে।
প্রসঙ্গত, হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট ক্রিয়েটের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে খ্যাতি লাভ করেন কারিনা কায়সার। অভিনয়ও করেছেন। পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে। তার কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।