শিরোনাম
◈ হঠাৎ শোঁ শোঁ শব্দ, নিমিষেই পানির স্রোত-কাদা-পাথরের ঢল; আমগাছ আঁকড়ে বেঁচে গেলেন নেপালি শ্রমিক ◈ দে‌শে সার সংকট আছে নাকি নেই? ◈ ভূমিকম্প, হিমবাহ নাকি ভারী বৃষ্টি : ভয়াবহ বন্যার কারণ খুঁজতে দিশাহারা নেপাল ◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:২৯ বিকাল
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় হাম পরিস্থিতি তৃতীয় স্তরে : সিভিল সার্জন

শাহাজাদা এমরান, স্টাফ রিপোর্টার,কুমিল্লা : হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি কুমিল্লায় নতুন করে আরো এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে জনমনে। গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে হাম উপসর্গে হোসাইন নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। রোববার (১৮এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ। নিহত শিশু মুরাদনগর উপজেলার ভোলাচর গ্রামের শাহ পরানের ছেলে। গত ১৪ এপ্রিল রাতে জ্বর ও কাশির উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কুমিল্লায় হামের প্রাদুর্ভাব কিছুটা বেড়েছে| এ সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ৭৫৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২১ জন এবং চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১০ জন। এর মধ্যে ২৮ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। গুরুতর অসুস্থদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে সেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া গত ১৬ এপ্রিল কুমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু হয়, যা জেলায় স্থানীয়ভাবে প্রথম মৃত্যু। ১৭ এপ্রিলের আরেকটি মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। স্থানীয়ভাবে মোট দুই শিশু মারা গেছে, যাদের সবারই হাম উপসর্গ ছিল, তবে নিশ্চিতভাবে কেউ হামে আক্রান্ত ছিলেন না। কুমিল্লার সিভিল সার্জন আলী নূর বশীর আহমেদ বলেন, কুমিল্লায় স্থানীয়ভাবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের হামের উপসর্গ ছিল এবং তারা অন্য রোগেও আক্রান্ত ছিল।

তিনি বলেন, কুমিল্লায় হাম পরিস্থিতি তৃতীয় স্তরে রয়েছে| বড় জেলা হওয়ায় অন্য জেলা থেকেও রোগী ভর্তি হয়, তবে আনুপাতিকভাবে আক্রান্তের হার কম। তারপরও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং হাম নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫০ জনকে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে| একই সময়ে ১৫ জন
নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২২ জন। অন্যরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।

  • সর্বশেষ