কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালী চাম্বল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
নানা কারণে আলোচিত ছিল বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দণ্ডপ্রাপ্ত মুজিবুল হক চৌধুরী (৫৬) ।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রেজাউল করিম রনি জানান, আসামি জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখেন, যা আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
মামলার নথি অনুযায়ী, মুজিবুল হক চৌধুরীর মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে অবশিষ্ট ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২-এ মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০২৫ সালের ৩ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
এদিকে, বাঁশখালীর বহুল আলোচিত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল হক চৌধুরী গত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছে।