শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৭ রাত
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৫ সন্তানের জননী বিয়ের দাবিতে অনশনে যুবকের বাড়িতে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে কাজল (২৬) নামের এক যুবকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন ৪১ বছর বয়সী এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় ওই যুবকের বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি। তবে ঘটনার পর থেকে কাজল তার পরিবারসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

আদারভিটা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) সুজন পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পটুয়াখালী থেকে আসা ওই নারীর নাম চম্পা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অনশনরত চম্পা জানান, চার বছর আগে ফোনের মাধ্যমে কাজলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ফোনে ‘কবুল’ বলে তাদের বিয়েও হয়, যদিও কোনো কাবিননামা করা হয়নি। চম্পার আগে মুন্সিগঞ্জে বিয়ে হয়েছিল এবং সেই সংসারে তার পাঁচটি সন্তান রয়েছে। কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর আগের স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

চম্পার ভাষ্যমতে, তিনি শুরু থেকেই কাজলকে বয়সের ব্যবধান ও সন্তানদের কথা বলে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু কাজল জেনেশুনেই তার সঙ্গে সংসার করার অঙ্গীকার করেন এবং দীর্ঘ চার বছর ধরে তাকে আশ্বস্ত করে আসছেন। এর আগেও তিনি একবার কাজলের বাড়িতে এসেছিলেন। সবশেষ চলতি মাসের ৯ তারিখ কাজল তাকে আসতে বলায় তিনি পটুয়াখালী থেকে এখানে আসেন। কিন্তু বাড়িতে আসার পর দেখেন কাজল পলাতক। এবার বিয়ে না করে তিনি ফিরে যাবেন না বলে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চান।

ইউপি সদস্য সুজন পারভেজ বলেন, ‘একটি মেয়ে এতো দূর থেকে যেহেতু এসেছে, নিশ্চয়ই ছেলের কোনো দায়বদ্ধতা আছে। আমি চেষ্টা করছি ছেলের পরিবারের লোকজনকে খুঁজে বের করে আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব হলে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করে দিতে।’

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাননি। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়