শিরোনাম
◈ নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৭৫, নিখোঁজ ৯০০; নতুন বিপর্যয়ের শঙ্কা ◈ অনুমোদন পেলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন: মন্ত্রিসভা বৈঠক সোমবার ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে কেন এত মরিয়া ভারত? ◈ রংপুরের চাঞ্চল্যকর চার খুন নিয়ে এত সন্দেহ ও অবিশ্বাস কেন? ◈ সংকটের প্রকৃত কারণ জনগণকে জানাতে এমপিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বারবার প্রতিশ্রুতি, তবু থামছে না সীমান্ত হত্যা : প্রতিমাসে একজন করে মারা যায় গুলিতে ◈ লা লিগায় টানা দ্বিতীয় জয় পে‌লো বার্সেলোনা ◈ দীর্ঘ হচ্ছে এলএনজি সংকট, মহেশখালীর দুই টার্মিনালে কমেছে গ্যাস সরবরাহ ◈ সৌদি আরবও ফিফা সভাপ‌তি ইনফা‌ন্তি‌নো‌কে নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করলো  ◈ তিব্বতে একের পর এক দুর্যোগ : বন্যার পর এবার আঘাত হানল ভূমিকম্প

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:২৩ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোল বন্দর এলাকায় অবৈধ বিস্ফোরকের চালান উদ্ধার

আজিজুল হক, বেনাপোল(যশোর): যশোরের বেনাপোল সীমান্তের বড় আঁচড়া গ্রাম থেকে ২ কেজি ৮০০ গ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে এসময় কোন অপরাধীকে ধরতে পারেনি বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে বেনাপোল কার্গোভেহিকেল টার্মিনালের পিছন থেকে এই বিস্ফোরকের চালান উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকের মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় মসলা বিস্ফোরক পাউডার ১,৪০০ গ্রাম ও পটাশ বিস্ফোরক পাউডার ১,৪০০ গ্রাম।

যশোর ব্যাটালিয়ন ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান,তারা গোঁপন সংবাদ পায় সন্ত্রাসী কার্যকালপের উদ্দেশ্যে বড়আঁচড়া গ্রামের বেনাপোল কাগোভেহিকেল টার্মিনালের পিছনে বিস্ফোরক দ্রব মজুদ করা হচ্ছে। পরে বিজিবি অভিযান চালিয়ে বড়আঁচড়া গ্রামের ছোবহানের বাড়ির পাশে  ফুলবাগান থেকে ২ কেজি ৮০০ গ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।এর আগে সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। বিস্ফোরক পাউডার গুলো রাতেই থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারা জড়িত খতিয়ে দেখব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বেনাপোল বন্দর ফায়ার ইন্সেপেক্টর শাহিনুর রহমান জানান, কেপিআই এর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দর স্থাপনার ১০০ গজের মধ্যে কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান,স্থপনা নির্মান ও বিস্ফোরক সংরক্ষন করা যাবে না। অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিস্ফোরক সংগ্রহ তাপ বিকিরন করে বিস্ফোরনে আমদানি পণ্য,রাষ্ট্রীয় সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি ও জীবন হানীর আশঙ্কা থাকে।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, বন্দরের গা ঘেষে বসত বাড়ি বা নানান স্থাপনা থাকায় অপরাধীদের আড্ডা ও সন্ত্রাসী কার্যলাপের সুযোগ তৈরী হলেও বন্দরের নজর নেই। এসব স্থাপনার কিছু কিছু অধিগ্রহন চললে তা শেষ হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যায়।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন জানান, বন্দর সম্প্রসারনে আশপাশের স্থাপনা অধিগ্রহনের কাজ চলমান রয়েছে। বন্দরের আশপাশে অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব সংরক্ষন প্রতিরোধ বা যে কোন ধরনের অপরাধ মুলক কার্যক্রম বন্ধে বন্দর কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে। তবে নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশের সহযোগীতা আবারও  চাওয়া হবে।

বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি আশরাফ হোসেন জানান, টার্মিনালের পিছনে সোবহানের বাড়ির পাশে ফুলবাগান থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক মজুদের সাথে কারা সম্পৃক্ত বা কি উদ্দেশ্য আনা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

  • সর্বশেষ