আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে রিমু বেগম (১৯) নামের এক নারীর শাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রিমু বেগম সান্তাহার সাহেব পাড়ার আইয়ুব আলীর মেয়ে। গত সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে সান্তাহার মায়া বিড়িকারখানার শান্তিনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে রিমু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা রেখা বেগম বাদি হয়ে মেয়েকে শয়ন ঘরে স্বাশরোধে হত্যার অভিযোগে আদমদীঘি থানায় তার জামাই সান্তাহার পশ্চিম লকু কলোনীর সামছুৃল আলমের ছেলে মজিবর রহমান ওরফে সাদ্দাম হোসেন (৪৮) কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সুত্রে ও স্থানীয়রা জানায়, মজিবর রহমান ওরফে সাদ্দাম হোসেন ৪ মাস পূর্বে রিমু বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে সান্তাহার মায়া বিড়ি কারখানার পাশে শান্তিনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে বসবাস করে আসছিল। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক ভাবে কলহ চলছিল। ঘটনার দিন গত সোমবার দুপুরে ওই ভাড়া বাসায় স্বামী স্ত্রী শয়ন ঘরে শুয়ে ছিল। শাশুড়ি অপর ঘরে ছিলেন। বিকেলে ঘরের মধ্যে স্বামী মজিবর ওরফে সাদ্দাম হোসেন ও তার স্ত্রী রিমু বেগমের মধ্যে কলহ চলে। রিমুর মা বিষয়টি জানতে চাইলে জামাই সাদ্দাম হোসেন জানায় কোন কিছু হয়নি। এর কিছু পর সাদ্দাম হোসেন ওই ঘরের দরজা বাহির থেকে আটকিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। রিমুর মায়ের সন্দেহ হলে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে দেখে তার মেয়ের খাটে রিমু বেগমের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রিমুর বেগমের লাশ উদ্ধার ও পাশে থাকা একটি রশি জব্দ করে।
নিহতের মা রেখা বেগম জানায়, তার মেয়েকে তার জামাই মজিবর রহমান ওরফে সাদ্দাম হোসেন ঘরের ভিতর কৌশলে স্বাশরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক তৎপরতা চলছে।