শিরোনাম
◈ গরম আর বৃ‌ষ্টি এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে স্বাগতিক মেক্সিকো ◈ কাতারকে ৬ গোলে উড়িয়ে ইতিহাস কানাডার, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন সমঝোতায় শক্তিশালী ইরান, শঙ্কায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ◈ সমঝোতার বাস্তবায়ন শুরু, ইরানের বন্দর অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর আশাবাদ ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ◈ শুক্রবার অ‌স্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নাম‌ছে বাংলাদেশ ◈ ঋণখেলাপি ইস্যুতে সংসদে তুমুল বিতর্ক: ‘এখানে কেউ ঋণখেলাপি নন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ‘তাহলে কোথায় বলব?’: নাহিদ ◈ দেশে ফেরানো ঠেকাতে যে নতুন পথ অবলম্বন করলেন বেনজীর! ◈ ‘মীরবাড়ী’, ‘সীমান্ত’, ‘দিগন্ত’ নামকরণ বিতর্কের মধ্যেই বগুড়ার ৪ নতুন ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০৫:৪৭ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬ মামলার আসামি গ্রেপ্তার এড়াতে বাড়ির চারপাশে সিসি ক্যামেরা বসিয়েও হলোনা শেষ রক্ষা!

ঢাকা ও চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় ৬ মামলার আসামি ছিলেন মো. সাইফুল ইসলাম (৪০)। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনেও ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসা ও আশপাশে বসিয়েছিলেন সিসিটিভি ক্যামেরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলোনা! অবশেষ রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসায় অবস্থান শনাক্ত করে কৌশলে তাকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল।

আজ রোববার তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাইফুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

গ্রেপ্তার সাইফুল গাড়ি কেনা–বেচা প্রতারক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বিঘা গ্রামে। গতকাল শনিবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাতপাখি এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানার একটি জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির এ কর্মকর্তা জানান, সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভাটারা, চাঁদপুর মডেল ও গুলশান থানাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতারণা, আত্মসাৎ, চুরি ও হুমকির অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে। এসব মামলা তদন্ত ও বিচারাধীন।

ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি পুরোনো গাড়ি কেনা–বেচা প্রতিষ্ঠানের মালিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সাইফুল ইসলাম ও তার এক সহযোগী ১০ লাখ টাকায় একটি গাড়ি বিক্রি করেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। পরে মালিকানা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে অনলাইনে যাচাই করে জানা যায়, গাড়িটির মালিকানা অন্য ব্যক্তির নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার কাছে জাল নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৈরি মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে। গাড়ির প্রকৃত মালিক আরেকজন। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এরপর ক্রেতাকে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালায় সাইফুল।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ জুন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। মামলায় সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানাকে আসামি করা হয়। রিজিয়া সুলতানা নিজেকে কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবার কখনো জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দাবি করে কাগজপত্রে সই করতেন। থানা–পুলিশের পরে মামলাটি তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তার স্ত্রী জামিনে রয়েছেন।

সিআইডির তদন্তে উঠে আসে, চক্রটি বিভিন্ন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাল মালিকানা চুক্তিনামা ও রশিদ তৈরি করে বিক্রি করতেন। সাইফুল নিজেকে কখনো বিভিন্ন কোম্পানির এমডি, কখনো সংবাদমাধ্যমের কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন। তাঁর স্ত্রীকেও ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে প্রতারণার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হতো। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়