শিরোনাম
◈ নবম পে-স্কেলের বেতন কাঠামো প্রকাশ ◈ লর্ডসে পাকিস্তানের ভরাডুবি, সি‌রিজ জিত‌লো ইংল‌্যান্ড ◈ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন, জানুন প্রজ্ঞাপন ও বেতন কার্যকরের তারিখ ◈ আসিম মুনিরের অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন : পূজার আগে পাকিস্তানের হামলার শঙ্কা, নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত ◈ ‘পরীক্ষিত’ সিল ছাড়া মাংস বিক্রি করলে দোকান বন্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ◈ সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম ◈ যুব এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে রাতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে মূল টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা ◈ রা‌তে নারী এশিয়া কা‌পে ইন্দোনেশিয়ার বিরু‌দ্ধে ম্যাচ দিয়ে লড়াই শুরু বাংলা‌দে‌শের ◈ পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে বাস উল্টে আহত ৮

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৩৫ রাত
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাত বছরের রিফাত হত্যা: জামার সূত্রে ধরা পড়লেন অভিযুক্ত মায়া

মোবাইল ফোন চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে সাত বছরের শিশু রিফাতকে হত্যা করেন প্রতিবেশী মায়া বেগম ওরফে লাবণী। এরপর মরদেহ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে সারারাত পাহারা দেন। পরদিন সকালে অটোরিকশায় তুলে ড্রামটি নিয়ে যান রাজধানীর গেন্ডারিয়ায়। সেখানে লোহারপুল এলাকার ময়লার স্তুপে ড্রাম ফেলে বাসায় ফেরেন তিনি। ভেবেছিলেন তাকে আর কেউ ধরতে পারবে না। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, লাশের সঙ্গে পাওয়া জামার সূত্র ধরে তাকে শনাক্ত করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর খানকাহ শরীফ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কদমতলী থানার ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান সমকালকে বলেন, মঙ্গলবার শিশুটির মা মুন্নি আক্তার থানায় এসে জানান, রিফাত খেলতে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এর মধ্যে বুধবার রাত ৮টার দিকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে এক শিশুর লাশ পাওয়া যায়। মুন্নি আক্তারকে গেন্ডারিয়া থানায় নিয়ে গেলে তিনি লাশটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

ওসি জানান, কদমতলী থানা পুলিশের তদন্ত দল সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং লাশের সঙ্গে থাকা কাপড় এলাকাবাসীকে দেখিয়ে শনাক্ত করার চেষ্টা চালায়। শিশুটির বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, এই ধরনের জামা তাদের প্রতিবেশী মায়া বেগমের মেয়ের গায়ে দেখেছেন। তখন পুলিশ ওই বাসায় গিয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলে সে জামাটি নিজের বলে স্বীকার করে। কিন্তু দেখাতে বললে আর খুঁজে পায়নি। এতে পুলিশের সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরবর্তীতে মায়া বেগমকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দুই–তিন মাস আগে তার মোবাইল ফোন চুরি হয় এবং তিনি রিফাতের বোনকে সন্দেহ করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। সেই থেকে দুই পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাস্তায় রিফাতকে একা পেয়ে খাবারের লোভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে নেন। এরপর মোবাইল ফোন চুরির কথা জিজ্ঞাসা করেন। শিশুটির জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে তিনি রেগে যান এবং তাকে জোরে থাপ্পড় দেন। তার দাবি, ওই সময় টাল সামলাতে না পেরে শিশুটির মাথা খাটের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘরে থাকা প্লাস্টিকের চালের ড্রামে লাশ ভরে রাখেন।
 
পুলিশ জানায়, অপরাধ স্বীকারের পর লাবণীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি স্থানীয় একটি স্কুলে দপ্তরি হিসেবে কাজ করেন। একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করেন তার স্বামী। আর নিহত শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন পেশায় অটোরকিশার চালক। উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ