শিরোনাম
◈ একাদশে ভর্তির শেষ সুযোগ, আবেদন করা যাবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ◈ চাহিদার চেয়ে বেশি আমদানি, তবু কমছে না ফলের দাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ, আসছে অধ্যাদেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ডের কারণে তালাক বন্ধ হয়েছে’: চিফ হুইপ ◈ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশ, বাংলাদেশিদের নিয়ে কঠোর হচ্ছে ইইউ ◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার

প্রকাশিত : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গোমতী নদীর মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ, কুমিল্লা: কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীমহাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, গোমতী নদীর এক টুকরো মাটিও অবৈধভাবে কাটতে দেওয়া হবে না। নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণকে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদীর মাটি কাটার বিরুদ্ধে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কঠোরভাবে সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।

শুক্রবার বেলা ১২ টায় কুমিল্লায় সফর উপলক্ষে সার্কিট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নদী পরিবেশ ও জনজীবনের নিরাপত্তার জন্য নদীর অবকাঠামো, তীর ও চরের মাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই মাটি অবৈধভাবে কাটার ফলে নদীর তীর ক্ষয়, বাঁধের ক্ষতি এবং আশপাশের কৃষিজমির উৎপাদন হ্রাসসহ পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে। এতে স্থানীয় জনপদের বসতভিটা ও অবকাঠামোও ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নজরদারির নির্দেশনা দিয়েছে। কেউ আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো প্রভাবশালী মহল বা সিন্ডিকেটের কাছে সরকার নতি স্বীকার করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর তীর ও চরে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, এসব মাটি ইটভাটা ও নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে নদীর তীর দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবেশবিদরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অবৈধ মাটি কাটা রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অভিযান জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নেওয়া হবে। নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

  • সর্বশেষ