শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে আগৈলঝাড়ার বোরো চাষীরা

বরুন কুমার বাড়ৈ, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালে আগৈলঝাড়া  প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান রোপন। জমি চাষ ও ধান রোপণে চলছে যেন এক প্রতিযোগিতা। জমিতে হালচাষ, বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন, জমিতে পানি দেওয়া এবং চারা রোপণের কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রচণ্ড শীতের কারনে দিনমজুর শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে গেছে। চলতি বছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ৬শত ৫০ হেক্টর জমিতে রোরো চাষাবাদ করা হবে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৩শত ২৩ মেট্রিক টন চাল।

গত বছর যেখানে শ্রমিকদের দৈনিক পারি শ্রমিক ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। তবুও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান গৈলা গ্রামের কৃষক মোঃ দিনইসলাম সরদার ও তালতা গ্রামের অশোক হালদার। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই জমিতে নেমে পড়েছেন। কার আগে কে জমিতে ধান রোপন শেষ করবেন। এ নিয়ে বিলাঞ্চলে চলছে প্রতিযোগিতা। এর ফলে জমি হালচাষে ব্যবহৃত ট্রাক্টরের চাহিদাও বেড়েছে। সুযোগ বুঝে ট্রাক্টর চালকরাও জমি চাষের মুল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর যেখানে প্রতি ২০ শতাংশ  জমি হালচাষে খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ শত থেকে ৭শত টাকা। তারপরও ট্রাক্টর পাওয়ার জন্য কৃষকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন। অনেক জায়গায় জমি সমতল না হওয়ায় উঁচু জমিতে দেখা দিয়েছে পানির সংকট। অনেক কৃষক অতিরিক্ত খরচ করে দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির মেশিন বসিয়ে নিজের জমিতে নিজের পানি সরবরাহ করতে হচ্ছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে বোরো আবাদের ব্যস্ততা। কনকনে শীত আর কুয়াশাকে হার মানিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন হার না মানা কৃষক-কৃষানীরা।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মাদ ইছা সাংবাদিকদের বলেন, এই উপজেলায় শীতের পূর্বে বীজ ক্ষেত তৈরী করা হয়। যার কারনে কোন বীজ তলার ক্ষতি হয়নি। এখন পর্যন্ত ঘনকুয়াশা বা শীতের কারনে রোপনকৃত ক্ষেতের বোরো ধানের ক্ষতির সংবাদ পাইনি।

  • সর্বশেষ