শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন নির্দেশ: খেলাপি ঋণ ও ঝুঁকি শনাক্তে তদারকি জোরদার ◈ দুই যুদ্ধ এক সুতোয়: ইউক্রেন-ইরান সংঘাতে বাড়ছে বৈশ্বিক ঝুঁকি—গার্ডিয়ান ◈ চাই‌নিজ তাই‌পে‌কে হা‌রি‌য়ে এশিয়ান গেমস হকির বাছাইপর্ব শুরু কর‌লো বাংলাদেশ ◈ সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে অফিস ৯টা–৪টা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট- শপিংমল: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ◈ মার্চ মাসে রপ্তানি ঘাটতি ২০ শতাংশ ◈ ফুটপাত হকারমুক্ত করতে ঢাকায় ৮ নৈশ মার্কেট চালুর পরিকল্পনা ডিএসসিসির ◈ বিসিবি থে‌কে আরও এক পরিচালক পদত্যাগ করলেন ◈ হরমুজ সংকটে তেল-গ্যাস বাজার অস্থির, বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে: জাতিসংঘ ◈ মূল্যস্ফীতির চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা—কঠিন বাস্তবতায় আসছে নতুন বাজেট ◈ বিকল্প রুটে জ্বালানি আমদানি, সৌদি আরব থেকে আসছে ১ লাখ টন তেল

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে আগৈলঝাড়ার বোরো চাষীরা

বরুন কুমার বাড়ৈ, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালে আগৈলঝাড়া  প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান রোপন। জমি চাষ ও ধান রোপণে চলছে যেন এক প্রতিযোগিতা। জমিতে হালচাষ, বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন, জমিতে পানি দেওয়া এবং চারা রোপণের কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রচণ্ড শীতের কারনে দিনমজুর শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে গেছে। চলতি বছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ৬শত ৫০ হেক্টর জমিতে রোরো চাষাবাদ করা হবে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৩শত ২৩ মেট্রিক টন চাল।

গত বছর যেখানে শ্রমিকদের দৈনিক পারি শ্রমিক ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। তবুও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান গৈলা গ্রামের কৃষক মোঃ দিনইসলাম সরদার ও তালতা গ্রামের অশোক হালদার। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই জমিতে নেমে পড়েছেন। কার আগে কে জমিতে ধান রোপন শেষ করবেন। এ নিয়ে বিলাঞ্চলে চলছে প্রতিযোগিতা। এর ফলে জমি হালচাষে ব্যবহৃত ট্রাক্টরের চাহিদাও বেড়েছে। সুযোগ বুঝে ট্রাক্টর চালকরাও জমি চাষের মুল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর যেখানে প্রতি ২০ শতাংশ  জমি হালচাষে খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ শত থেকে ৭শত টাকা। তারপরও ট্রাক্টর পাওয়ার জন্য কৃষকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন। অনেক জায়গায় জমি সমতল না হওয়ায় উঁচু জমিতে দেখা দিয়েছে পানির সংকট। অনেক কৃষক অতিরিক্ত খরচ করে দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির মেশিন বসিয়ে নিজের জমিতে নিজের পানি সরবরাহ করতে হচ্ছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে বোরো আবাদের ব্যস্ততা। কনকনে শীত আর কুয়াশাকে হার মানিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন হার না মানা কৃষক-কৃষানীরা।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মাদ ইছা সাংবাদিকদের বলেন, এই উপজেলায় শীতের পূর্বে বীজ ক্ষেত তৈরী করা হয়। যার কারনে কোন বীজ তলার ক্ষতি হয়নি। এখন পর্যন্ত ঘনকুয়াশা বা শীতের কারনে রোপনকৃত ক্ষেতের বোরো ধানের ক্ষতির সংবাদ পাইনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়