শিরোনাম
◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা, বাস্তবায়নেই যত শঙ্কা ◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৫০ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সম্পত্তি নিয়ে সন্তানদের বিরোধ: ৩৬ ঘণ্টা পর দাফন হলো বাবার লাশ

উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মো. সেকান্দর মিয়া নামে এক ব্যক্তির লাশ দাফনের আগে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। চট্টগামের হাটহাজারী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড ফটিকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

রোববার (২১ ডিসেম্বর) মাগরিবের নামাজের পর ওই বৃদ্ধের দাফন সম্পন্ন করতে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জালাল উদ্দিন।

সেকান্দর মিয়া জাহাজের সারেং ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার মেখল ইউনিয়নের বাদামতল হলেও নিজের তৈরি নকশু ভিলায় বসবাস করতেন। 

জানা গেছে, সেকান্দর মিয়া জীবদ্দশায় দুই বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর করেন দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম ঘরে ছিল পাঁচ সন্তান এবং দ্বিতীয় ঘরে ছিল তিন সন্তান। মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় ঘরের সন্তানদের তিনি তার সম্পত্তির ভাগ দিলেও প্রথম ঘরের সন্তানদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে এ ঘটনা ঘটে। 

এদিকে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে সেকান্দর মিয়ার মৃত্যু হয়। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার প্রথম স্ত্রীর সন্তানরা উত্তরাধিকারী সূত্রে সম্পত্তির ভাগ নিতে পৌরসভার ফটিকা গ্রামের নকশু ভিলায় ভিড় করেন এবং বাবার লাশ দাফনে বাধা দেন। 

সেকান্দর মিয়ার প্রথম ঘরের বড় মেয়ে আয়েশা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, সম্পত্তির ভাগ বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তারা তাদের বাবার লাশ দাফন করতে দিবে না। 

এর মধ্যে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুমিনের নজরে এলে তিনি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেন এবং থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। পরে ইউএনও ও থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে প্রথম ঘরের সন্তানরা সম্পত্তি পাবেন- এমন আশ্বাসে তাদের ঘোষণা থেকে সরে আসেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ