শিরোনাম
◈ ইলিয়াস আলী গুম: ধলেশ্বরীতে লাশ ফেলার চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত ◈ ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে তীব্র সতর্কতা ◈ ওয়ান-ইলেভেনের তিন কুশীলব ডিবি হেফাজতে: মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরোচ্ছে নতুন তথ্য ◈ জ্বালানি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ◈ দুই গোলে এগিয়ে থেকেও থাইল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল ◈ তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ◈ ওকে লাথি মেরে বের করে দিন: নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের ◈ বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি সংকটে প্রথমে ফুরিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ! ◈ শিশুশিল্পী লুবাবার বিয়ে আইনত বৈধ কি না, বাল্যবিবাহের দায়ে কী শাস্তি হতে পারে?

প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৩ বিকাল
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে ৬টি বাঁধ, ২টি বেশাল অপসারণ এবং ১০ টি চায়না দুয়ারী ও ১০ কেজি মাছ জব্দ

চরভদ্রাসন এবং সদপুর(ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে ৬টি অবৈধ আড়াআড়ি বাঁধ ও ২টি ‘বেশাল’ অপসারণসহ ১০টি চায়না দুয়ারী জব্দ এবং ১০ কেজি মাছ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা মৎস্য দপ্তর জানায়, এলাকায় একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুনের নির্দেশনায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লবের নেতৃত্বে পদ্মা নদীতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে চরভদ্রাসন থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা করে। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের সকল কর্মচারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি প্রভাবশালী মহলসহ কয়েকটি জেলে গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এসব বাঁধ নির্মাণ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল এবং লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযানে পদ্মা নদী থেকে ৬টি আড়াআড়ি বাঁধ এবং ২টি বেশাল অপসারণ করা হয়। এছাড়া অবৈধ ১০টি চায়না দুয়ারী ও ১০ কেজি মাছ জব্দ করা হয়। অপসারণকৃত বাঁধগুলোর মধ্যে একটি ছিল প্রায় ১ কিলোমিটার প্রস্থের এবং বাকি ৫টি বাঁধ ছিল ৫০০ মিটার করে—মোট ৩.৫ কিলোমিটার। পরে নিষিদ্ধ জাল ও চায়না দুয়ারীগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা ১০ কেজি মাছ বাদল্লা ডাঙ্গী মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব বলেন, “মৎস্য প্রজাতি রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদীতে মাছের অবাধ চলাচল ও প্রজনন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়