শিরোনাম
◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ

প্রকাশিত : ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:২৪ রাত
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খুলনায় জোড়া খুন: ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রায় ১৬ বছর আগে খুলনার দৌলতপুর এলাকার পারভেজ হাওলাদার ও সুপর্ণা সাহাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সুমি আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ইমামুল কবীর জীবন ওরফে শবে কাদির, রাজু ওরফে রাজ ওরফে আইম্মাদ ইসলাম, শহীদ শাহারিয়ার চৌধুরী ওরফে মিথুন, তুষার গাজী, সোয়েব আহমেদ ওরফে সুমন, শাকিল ও তুহিন। এছাড়া মামলায় খালাস পেয়েছেন- কুটি এবং শামীম। আসামিদের মধ্যে শবে কাদির, সোয়েব আহমেদ সুমন ও শাকিল পলাতক। 

২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি দৌলতপুরের দেয়ানা সবুজ সংঘ মাঠের কাছে সন্ত্রাসীরা গুলি করে ও কুপিয়ে পারভেজ হাওলাদারকে ফেলে রেখে যায়। পারভেজের চিৎকারে পাশের বাড়ি থেকে দিলীপ কুমার সাহা, তার স্ত্রী ও মেয়েরা পারভেজকে এগিয়ে আসেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন দিলীপ সাহা, সুপর্ণা সাহা, রেখা সাহা ও পিংকি সাহা গুলিবিদ্ধ হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পর পারভেজ হাওলাদার ও সুপর্ণা সাহা মারা যান। এ ঘটনার পরদিন পারভেজের বাবা নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন। 

খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে মামলার বিচার কাজ চলছে। আদালত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমরা সন্তুষ্ট।’

 

  • সর্বশেষ