শিরোনাম
◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত ◈ ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে বিক্ষোভ, আটক আশুতোষ-সৌরভসহ নেতাকর্মীরা (ভিডিও) ◈ শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশালের মুলাদীতে ভয়াবহ নদীভাঙন: ঝুঁকিতে ইউনিয়ন পরিষদ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার চরকালেখা ইউনিয়নের জয়ন্তী নদীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে জয়ন্তী নদী প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রবাহিত হলেও ভয়াবহ ভাঙনের কারণে নদী এখন পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অলিল মেম্বার লঞ্চঘাট থেকে তেরচর পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বসতিপূর্ণ এলাকায় ৯০ শতাংশ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর এলাকাবাসী নদীভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন আয়োজন করে। এ সময় এবি পার্টির ব্যারিস্টার ফুয়াদ অংশগ্রহণ করে বলেন— “অন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এবং স্থানীয় প্রশাসন অবিলম্বে ইঞ্জিনিয়ারসহ এখানে আসবেন। কীভাবে লাখ লাখ মানুষকে রক্ষা করা যায়, তার একটি টেকসই সমাধান করতে হবে।”

ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

Advertisement

নদীভাঙনের কারণে চরকালেখা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকিৎসাকেন্দ্র, নোমরহাট ও গলইভাঙা বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে স্থানীয়রা খাদ্যসংকটে ভুগছেন।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, মুলাদী উপজেলা সদর থেকে সফিপুর, বাটামারা, সেলিমপুর ও নাজিরপুর ইউনিয়নে যাতায়াতের প্রধান সড়কটিও নদীভাঙনের কবলে রয়েছে। নদীটি বর্তমানে সড়ক থেকে মাত্র ২-৩ মিনিট দূরে অবস্থান করছে। দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি

গত কয়েক সপ্তাহে নতুন করে শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ বা সিসি ব্লক ফেলা, বাধ নির্মাণ কিংবা স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া এ ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর আবেদন

এলাকাবাসী সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছে— অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই ভয়াবহ নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হোক।

  • সর্বশেষ