শিরোনাম
◈ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে অটল থাকার বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ হামে আক্রান্ত আরও ১২৪, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৫ শিশুর ◈ এক সম‌য়ের তু‌খোড় ফুটবলার আজ বাস কন্ডাক্টর ◈ ডকুমেন্টারিতে শহীদ আবু সাঈদের অনুপস্থিতি ‘দুঃখজনক’: হট্টগোলে ক্ষোভ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ◈ লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দাম, এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ◈ জুলাই চেতনার ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ আমার কমনসেন্স বলে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ হাসিনা দেশে এলে রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ◈ জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ শুরু সেপ্টেম্বরে: গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী ◈ যুদ্ধবিরতির আশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পতন

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৩:০৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ২ জনের

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজিত জশনে জুলুসে পদদলিত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নগরের মুরাদপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা আইয়ুব আলী (৬০) এবং নগরের কালামিয়া বাজার এলাকার সাইফুল ইসলাম (১৩)।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহতদের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া ট্রাস্টের মেডিকেল টিমের মাধ্যমে। 

টিমের সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ভিড়ের মধ্যে গরমে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজন নিচে পড়ে যান। এ সময় পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় আটজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যার মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়।

জুলুসের আনুষ্ঠানিকতা সকাল ১০টায় আলমগীর খানকা শরীফ থেকে শুরু হয়। নিরাপত্তার জন্য বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবকরা পুরো আয়োজনকে সফল করতে কাজ করছেন। ভোর থেকে নগরের বিভিন্ন মোড়ে ট্রাক ও মিনি ট্রাক সাজিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করা হয়।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস আয়োজনের ইতিহাস ১৯৮০ সালে শুরু হয় এবং এটি ৫৪ বছর ধরে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। জুলুসের নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ। এতে বিভিন্ন পীর-মাশায়েখ ও আলেম-ওলামারা অংশ নেন। 

আল্লামা সাবির শাহ বলেন, জশনে জুলুস নবীপ্রেমের সোনালি প্রদীপ। লাখো মানুষের অংশগ্রহণ মুসলমানদের নবীজির প্রতি ভালোবাসা ও ঐক্যের প্রতিফলন।

শোভাযাত্রায় ভক্তদের জন্য প্রতিটি মোড়ে শরবত, পানি ও তাবাররুকের ব্যবস্থা রাখা হয়। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এই সেবায় অংশ নেন। পুরো জুলুস অতিথি আপ্যায়ন ও ভ্রাতৃত্বের মহোৎসবের রূপ নেয়। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক এই জুলুস এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা হিসেবে পরিচিত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়