শিরোনাম
◈ পল্টনে ফের র.ক্তা.ক্ত সংঘর্ষ: হলুদ হেলমেটধারীরা কারা?" ◈ মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন ভারতীয় সাংবাদিক ◈ ‘প্ল্যান-বি হলো জাতীয় পার্টির ওপর ভর করে লীগকে ফেরানো’ ◈ নুর আশঙ্কাজনক, বাঁচবে কি মরবে জানি না : রাশেদ খাঁন (ভিডিও) ◈ ভূমি মালিকদের জন্য বড় সুখবর: মাত্র ২৪ ঘন্টায় খতিয়ানের ভূল সংশোধনের সরকারি নির্দেশনা, জানুন কিভাবে ◈ ঢাকায় জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, সেনা মোতায়েন ◈ সংঘের নিয়মে মোদির অবসর? বয়স বিতর্কে মোহন ভাগবতের স্পষ্ট জবাব ◈ খালেদা জিয়া সরকারে থাকাকালে দেশের টাকা বিদেশে পাঠাননি: চান্দিনায় মাহমুদুর রহমান মান্না ◈ বাগেরহাটে জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট এখন ‘ভূতের বাড়ি’ ◈ নির্বাচনকে ঘিরে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে কয়েকটি পক্ষ: সালাহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১০:১৫ রাত
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১২:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগেরহাটে জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট এখন ‘ভূতের বাড়ি’

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবন উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের ফতেপুর গ্রামে অবস্থিত জিয়া মেমোরিয়াল অরফানেজ ট্রাস্ট এখন কার্যত পরিত্যক্ত। জনমানবহীন ভবনটি আজ ভূতের বাড়ির মতো নিস্তব্ধ। ছাদ-দেয়ালের পলেস্তার খসে পড়ছে, জানালার গ্রিল মরিচায় ক্ষয়ে গেছে। ভেতরে কোথাও মাকড়সার জাল, কোথাও শ্যাওলা জমে গেছে।

১৯৯৪ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান প্রায় ৪ একর জমির ওপর এই ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০০ সালে ৩০ জন এতিম ও দুস্থ শিশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। ভবনের পাশাপাশি ছিল অফিস, আবাসিক ভবন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ক্লিনিক, মসজিদ, পুকুর ও দর্জিবিদ্যা প্রশিক্ষণ উপকরণ। স্থানীয়রা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি ভালোবাসা থেকে জমি দান করেছিলেন।

শুরুর পর ২০১১ সাল পর্যন্ত গড়ে ১৫–২৫ জন এতিম এখানে আশ্রয় পেত। কিন্তু ধীরে ধীরে এতিমের সংখ্যা কমতে কমতে ২০১৭-১৮ সালে দাঁড়ায় মাত্র ৩ জনে। বর্তমানে কেবল দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া সেখানে কেউ নেই। ট্রাস্টি বোর্ডের সক্রিয়তাও অজানা।

অধ্যক্ষ আফতাব আলম জানান, ২০০০ সাল থেকে তিনি দায়িত্বে আছেন। নিয়মিত খরচের অর্থ পাঠাতেন প্রতিষ্ঠাতার ছেলে রিয়াজুর রহমান। এখন প্রতি মাসে ৬০-৭০ হাজার টাকা পাঠানো হয়। বর্তমানে এখানে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২২ জন শিশু পড়ছে এবং নারীদের জন্য দর্জিবিদ্যা প্রশিক্ষণ চলছে, যেখানে ১৫ জন প্রশিক্ষণার্থী আছে। তিনজন দুস্থ ব্যক্তি দর্জিবিদ্যা শিখছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অযোগ্য নেতৃত্ব ও অব্যবস্থাপনার কারণে এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তারা দ্রুত নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন, নইলে জমি ফেরত নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনিরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি ভালোবাসা থেকে দান করা এই জমি অব্যবস্থাপনায় নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। তিনি অবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটি চালুর জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়