শিরোনাম
◈ ইরানের অনুরোধ নাকচ, যুক্তরাষ্ট্রেই বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে হবে ◈ আইএলটি২০ পঞ্চম আসর শুরু ২২ নভেম্বর, ফাইনাল দুবাইয়ে ◈ এবার হরমুজ ইস্যুতে সংলাপের আয়োজন করছে দুই দেশ ◈ দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা, কৃষক কার্ড কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: তারেক রহমান ◈ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ, খোলা চিঠিতে প্রশ্ন ◈ শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল: মাউশি মহাপরিচালক ও একাধিক কর্মকর্তা ওএসডি ও পদায়ন ◈ ডেডলাইন শেষেই কি বৈশ্বিক বিপর্যয়? ইরানের সম্ভাব্য ৫ পদক্ষেপ ◈ ডলার শক্তিশালী, তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী—সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ◈ নেপালের মন্ত্রিসভার সদস্যদের ১৭ দিনেই সম্পদের তথ্য প্রকাশ ◈ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৫, ০৮:০৪ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরিষাবাড়ীতে চরাঞ্চলে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলন : ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষক

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) থেকে: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ক্ষেত থেকে আলু তুলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা। এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলন হওয়ার পাশাপাশি বাজার দর ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে তৃপ্তির হাসি।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ধারাবর্ষা, বড়বাড়ীয়া, কৈজুরী, কান্দারপাড়া, সৈয়দপুর, বয়সিংহ, ভাটারা, মোহনগঞ্জ, কাশারীপাড়া, পাখাডুবী, ফুলবাড়িয়া, পারপাড়া, গোপীনাথপুর, কৃষ্ণপুর, চর হরিপুর, আওনা, পোগলদিঘাসহ বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টি আলুর চাষ করে কৃষকেরা। খরচ কম ও লাভবান হওয়ায় মিষ্টি আলু চাষে ঝুকছে চরাঞ্চলের কৃষকেরা।

উপজেলার কামরাবাদ ও ভাটারা ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সবুজ পাতায় ছেয়ে আছে ফসলের মাঠ। কৃষকেরা কোদাল দিয়ে কুপিয়ে আগলা করছে মাটি। আর নারী ও শিশুরা আলু কুড়িয়ে এক জায়গায় রাখছে। পরে জমানো মিষ্টি আলু ক্ষেতে বসেই মেপে বস্তাবন্দি করছে কৃষকরা। কেউ আবার মিষ্টি আলুর লতা গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে বাড়ীতে নিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি করে।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল হাই, সাদেক আলী, রাশেদুল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, চারা রোপনের কয়েকমাস পর থেকে মিষ্টি আলু মাটির নিচে পরিপক্ক হয়ে উঠে এবং উপশী হাইব্রিড জাতের মিষ্টি আলু ৯০ দিনেই তোলা যায়। এবার আলু চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। মিষ্টি আলুর চাহিদা ঢাকাতে অনেক বেশি। তাই এলাকা থেকে ১ হাজার হতে ১২শ টাকা মণ কিনে বেশি দামে বিক্রি করেন পাইকাররা। এসব মিষ্টি আলু চরাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে কিনেন পাইকার, অনেক সময় অনেক পাইকারী ক্রেতা মাঠ থেকেই আলু কিনে নেন। পরে এসব মিষ্টি আলু ট্রাকে করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যান।

মিষ্টি আলু চাষী আব্দুল মোতালেব বলেন, এই মৌসুমে চরাঞ্চরলর অনেক পতিত জমিতে বিশেষ করে নদীর ধারের প্রায় ১ একর জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করেছি। প্রতি শতাংশে দুই মণের বেশি মিষ্টি আলুর ফলন হয়েছে। এক বিঘা জমিতে মিষ্টি আলু পেয়েছি একশো মণের উপরে। প্রতি মণ মিষ্টি আলু পাইকারি বিক্রি করছি ১৪/১৩/১২ শত টাকা দরে। চাহিদা ও ফলন হিসেবে দাম কিছুটা উঠানামা করে। ১ বিঘা জমি চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। খরচ বাদে অনেক লাভ হয়েছে। অন্য কোন ফসল করে এতো লাভ করা সম্ভব না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অনুপ সিংহ বলেন, এ উপজেলায় এই বছরের মিষ্টি আলু ৫৮০ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু চাষ হয়েছে ৬৭৫ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৯৫ হেক্টর বেশি। ফলনে খরচ কম হওয়ায় ও অধিক লাভজনক হওয়ায় মিষ্টি আলু চাষে ঝুকছে চরাঞ্চলের কৃষকেরা। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়