শিরোনাম
◈ বিএনপিতে শুদ্ধি অভিযান শুরু, সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন শতাধিক নেতা  ◈ তুরস্কে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে বাংলাদেশি কৃষিবিদ ও কৃষক নিয়োগের প্রস্তাব  ◈ ফুটপাত থে‌কে জ্বলন্ত চুলা ও সিলিন্ডার সরা‌লো পু‌লিশ, আটক ৮  ◈ প্রধানমন্ত্রীকে বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতের আমন্ত্রণ ◈ রাজধানীজুড়ে রেস্তোরাঁয় পুলিশি অভিযান, আটক ৩৫ ◈ প্রবাসী আয়ে চমক, ৮ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ফেব্রুয়ারিতে ◈ রমজানে সৌদি আরবে মাইক ব্যবহার ও সম্প্রচার সীমিত করে ৯ দফা নির্দেশনা ◈ পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ◈ বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড হাইকোর্টে রিট দায়ের ◈ গাজায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহবান বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০৪:৩৯ দুপুর
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০৪:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধামরাইয়ে বংশী নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ন বাঁশের সাঁকো

মো. আদনান হোসেন: [২] ঢাকার ধামরাইয়ে ছোট কালামপুর-দেপাশাই কারাবিল এলাকার মধ্যবর্তী বংশী নদীর ওপর ঠিকাদারের নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি মাঝখানে ধসে যাওয়ায় এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় সাঁকোটি ভেঙ্গে পড়ে কারো মৃত্যুর কারন হতে পারে। তাই এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করে জনসাধারনকে ঝুঁকিমুক্ত করা।

[৩] জানা গেছে, ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের ছোট কালামপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে সোমভাগ ইউনিয়নের সাঁকোটি দেপাশাই কারাবিল এলাকার মধ্যবর্তী বংশী নদীর ওপর প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে ৭৪ মিটার দৈর্ঘ্যের আট ফুট প্রস্থ নিচু করে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর থেকেই সেতুটির নিচ দিয়ে নৌকা বা বালুবাহী কার্গো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপরও কার্গো চলার চেষ্টা করলে মাঝে মধ্যেই ধাক্কা লেগে সেতুটি ক্ষতির মুখে পড়ে। এরপর গত বছর ওই পুরনো সরু সেতুটি ভেঙ্গে নতুন সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। 

[৪] ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫৮ টাকা ব্যয়ে ৭২ মিটার দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ পান মেসার্স কামারজানী- আনোয়ারা (জেভি) নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ২০২৩ সালের ২৪ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল রোববার পর্যন্ত কাজই শুরু করেনি। তবে গত ৯ মাস আগে পুরনো সরু সেতুটি ভেঙ্গে পাশেই একটি বাঁশের সাকো নির্মাণ করে দিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই বাঁশের সাকো দিয়ে প্রতিদিন দেপাশাই, কারাবিল, ভালুম, শৈলান, পথহারা, আলোকদিয়া, চাপিল, নওগাও, কালামপুর, গোয়ালদী, কাশিপুরসহ ১২-১৩টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে থাকে। 

[৫] বর্তমানে বাঁশের সাঁকোটি মাঝখানে ধসে পড়েছে। এ চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে। আর কেউ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও যেকোন সময় সাঁকোটি ধসে পড়ে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানীয়রা জানান, আমাদের চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত ভাল সেতুটি ভেঙ্গে ফেলেছে ঠিকাদার। এখন আমরা প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ চলাচল করতে পারছি না। আর কবে হবে নতুন সেতু তাও বুঝতে পারছি না । সব মিলে আমরা চরম ভোগান্তিতে আছি। কারন সেতু শুরু করার আগেই মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে জানান তারা।

[৬] সেতুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা  উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান বলেন, কাজটি শুরু করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে অনেক বার বলা হয়েছে কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করছেন না। তবে দ্রুতই কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি। এব্যাপারে অনেক চেষ্টা করেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সম্পাদনা: সঞ্চয় বিশ্বাস

প্রতিনিধি/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়