শিরোনাম
◈ সংঘাতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ◈ দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় অভিযান, গ্রেপ্তার ২৭৪৭ ◈ আজ বিদেশি কূটনীতিকরা ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শনে যাবেন ◈ চলমান সংকটে রাজশাহীতে কৃষিখাতে দিনে ২০ কোটি টাকার ক্ষতি ◈ কারফিউ শিথিল সময়ে চলবে দূরপাল্লার বাস ◈ প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ◈ ড. ইউনূস রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস ◈ নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৩৬ কয়েদির আত্মসমর্পণ ◈ কতজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন, জানতে সময় লাগবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৬:৫৬ বিকাল
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০৬:৫৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীতে ইফতারের বাহারি আয়োজন, দামে অস্বস্তি 

ইফতারী

এম এম লিংকন: রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ অলি-গলি থেকে শুরু করে সব জায়গাতে রোজার প্রথম দিন হরেক রকম ইফতার সামগ্রী কিনতে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। এসব দোকানে ফালুদা, ফিরনি, লাবাং, মাঠা ও কলিজা ভুনা, পিয়াজু,ছোলা, জিলাপি, বুরিন্দা, বেগুনিসহ মিলছে অজস্র ইফতার সামগ্রী। তবে বরাবরের মতো সবচেয়ে ব্যস্ত ছিল ৭৮ বছর আগে শুরু হওয়া বড় বাপের পোলায় খায় এই বিশেষ খাবারের দোকান ঘিরে। শুক্রবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন ইফতার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

তবে গত বছরের চেয়ে এবার ইফতারসামাগ্রীর দাম বেশি বলে দাবি করছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারাও তা স্বীকার করেছেন। তাদের দাবি- দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এবার প্রায় সব ইফতারসামগ্রীর দামই কিছুটা বেশি।

এখানকার ব্যবসায়ী বলছেন, কোয়েলের মাংস ও কলিজা, খাসির কলিজা, মগজ ও দেশি মুরগির ডিম ও মশলার সংমিশ্রণে ১২ টি পদ দিয়ে তৈরি হয় বড় বাপের পোলায় খায়। আর সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে বিক্রি হচ্ছে এই বিশেষ খাবার। গত বছর আমরা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি; এ বছর দাম ৮০০ টাকা। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় এ খাবারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম বাড়লেও বিক্রি কমেনি বলেও জানান তিনি।

লালবাগ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে তুহিন বলেন, বড় বাপের পোলায় খায় একটি ঐতিহ্যবাহী ও মুখরোচক খাবার। আমার পরিবারে মা-বাবা ও ভাই-বোনসহ সবাই এই খাবারটি পছন্দ করেন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে ইফতার করার সময় এই খাবারটি রাখতেই হয়। এ বছর দাম বেশি নিচ্ছে। 

পল্টন থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা হাফিজুর রহমান বলেন, এবার প্রতিটি আইটেম দাম অতিরিক্ত। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেক খাবার কিনতে পারছি না। যেভাবে সবকিছুর দাম বাড়ছে তাতে সামনে আরও সমস্যা হতে পারে। ১০০০ টাকা নিয়ে বাজারে এসেও তেমন কিছুই কিনতে পারিনি। 

অন্য দিকে রাজধানীর অলি-গলির দোকানগুলো থেকে নিম্ন থেকে মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ মোটামুটি অল্পদামে কিনছে ইফতারের বাজার। ফার্মগেট এলাকায় দেখা যায়, এক গার্মেন্টস মালিক বিভিন্ন রকমের ইফতার কিনছেন। তিনি বলেন, দোকনে কয়েকজন কর্মচারী রয়েছে সবার জন্য এক সঙ্গে ইফতার নিচ্ছি। সবাই এক সঙ্গে বসেই ইফতার করবো। খাবার খুব ভালো মানের না হলেও এক সঙ্গে সবাই মিলে ইফতার করার মধ্যে একটা আলাদা আনন্দ পায়।  

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়