শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০২২, ১২:২৬ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২২, ০৮:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নিউজ ডেস্ক: চার দিন পর ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের (শিক্ষানবিশ) কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইন্টার্ন চিকিৎসক এ কে এম সাজ্জাদ হোসেনকে মারধরের প্রতিবাদে কর্মবিরতি ডেকেছিল তারা। আজ রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাকক্ষে পুলিশ প্রশাসন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মসূচি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। প্রথম আলো 

৮ আগস্ট রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মারধরের শিকার হন সাজ্জাদ হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক তাঁর পরিচয় জানতে চান। তাঁদের প্রায় সবার গায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো-সংবলিত টি-শার্ট ছিল। ইন্টার্ন চিকিৎসকের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁরা মারধর করেন। ঘটনার পরদিন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। দাবি পূরণ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়েছিল তাদের কর্মবিরতি।

চিকিৎসাসেবার কথা মাথায় রেখে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন জিলানী। তিনি বলেন, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার আশ্বাস দেওয়ায় আজ থেকে কাজে যোগদান করেছেন তাঁরা।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মারুফ উল আহসান শামীম বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়, সে জন্য এলাকাটি সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করা ন্যক্কারজনক ঘটনা। তাঁদের ডাকা কর্মবিরতিতে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছিল। তবে রোগীদের সেবার কথা চিন্তা করে আজ তাঁরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার বলেন, শহীদ মিনারের যে অংশে এ ঘটনা ঘটেছে, সেই অংশটুকু সিসি ক্যামেরার আওতায় ছিল না। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীর বর্ণনামতে, অভিযুক্তরা ঢাবির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ জন্য বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন কুমার সাহা, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক টিটো মিঞা, ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক এম এ আজিজ, সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল আর্সলান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান (জয়) ও ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়