শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০৪:২২ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০৪:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৪০টি দেশের নাগরিকের ক্রেডিট কার্ড ক্লোন করে শতাধিকবার টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেন তুরস্ক নাগরিক: সিটিটিসি

মাসুদ আলম: [২] বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার গুলশান থেকে এটিএম কার্ড ক্লোনকারী চক্রের আন্তর্জাতিক সদস্য ও তুরস্কের এক নাগরিক হাকান জানবারকানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার বাংলাদেশি এক সহযোগী মফিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি বিভিন্ন মডেলের ফোন, একটি ল্যাপটপ, ১৫টি ক্লোনিং এটিএম কার্ডসহ মোট ১৭টি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

[৩] তিনি আরও বলেন, হাকান জানবারকান এটিএম কার্ড ক্লোনিংয়ের দায়ে ২০১৯ সালে বাংলাদেশি সহযোগী শহিদুল ইসলামসহ ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। কারারক্ষীদের হেফাজতে ভারতের আসামের জিবিপি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি পালিয়ে যান। এরপর নেপালে যান। নেপাল থেকে আউটপাস নিয়ে তুরস্কে যান। শহিদুল এখনও ভারতের কারাগারে রয়েছেন। শহিদুলের ভাই মফিউল ইসলাম।

[৪] সিটিটিসি প্রধান বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর হাকান জানবারকান বিজনেস ভিসায় ঢাকা আসেন। তার একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে। তিনি একেক বার একেক পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ ভ্রমণ করেন। ঢাকায় আসার পর তুরস্কের এই নাগরিক ২ থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ইস্টার্ন ব্যাংকের বিভিন্ন বুথে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, ইউএসএ, ইন্ডিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ভিয়েতনাম, যুক্তরাজ্য, কানাডা, বলিভিয়া, স্পেন, ফিনল্যান্ড, নরওয়েসহ প্রায় ৪০টি দেশের নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ক্লোন করে স্কেমিংয়ের মাধ্যমে প্রায় শতাধিকবার টাকা উত্তোলন করেছেন। ব্যাংকটির এন্টি স্কেমিং সফট ওয়্যার থাকায় তিনি টাকা উত্তোলন করতে পারেননি।

[৫] তিনি বলেন, এসব কার্ড তিনি বিদেশ থেকেই ক্লোন করে নিয়ে আসছেন বলে আমরা ধারণা করছি।ঢাকায় এসে তিনি পল্টনের ক্যাপিটাল হোটেলে উঠেছিলেন। এই চক্রের সঙ্গে তুরস্ক, বুলগেরিয়া, মেক্সিকো, ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক জড়িত। ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশে এটিএম কার্ড ক্লোনিং করে অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়