প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাছেই নষ্ট হচ্ছে আমলকি, বিপাকে চাষিরা

ডেস্ক রিপোর্ট: পেয়ারা, আমড়া ও মাল্টার পর এবার আমলকি চাষে কয়েক বছর ধরে লাভবান হচ্ছেন পিরোজপুরের কৃষকরা। প্রতি বছর চাষ ও উৎপাদন বাড়ায় আমলকি চাষে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। এখানকার আমলকি খেতে মিষ্টি ও সুস্বাদু। সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে। প্রতি বছর গাছ থেকে পাইকাররা কিনে নিলেও এ বছর দামে বনিবনা না হওয়ায় বিপাকে করছেন চাষিরা। ডেইলি বাংলাদেশ

দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরে এক সময় শুধুমাত্র ঔষধি ফল হিসেবে আমলকির গাছ লাগানো হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। অনাবাদি জমিতে আমলকি চাষ করে সফল হওয়া যায় সেটাই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন পিরোজপুর জেলার চাষিরা। বাড়ির আঙিনায় বা পতিত জমিতে আমলকি চাষ করে সফল ও লাভবান তারা।

প্রতিবছর আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কে আমলকি ফলের মৌসুম হিসেবে ধরা হলেও এখনো গাছ থেকে পাড়া হয়নি বহুগুণ সমৃদ্ধ এ ফলটি। এতে গাছেই নষ্ট ও ঝরে পড়ছে আমলকি।

পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের চাষি মনির শেখ ও মামুন শেখ জানান,গত বছর করোনার মধ্যেও আমলকি বিক্রি করা হয়েছে প্রায় লাখ টাকা। চাষিরা ফলটি আগের চেয়ে অনেক বেশি চাষ করছেন। প্রতিবছর এ সময়ে জেলায় আমলকি বেচাকেনা বেশি হয়ে থাকে। এ জেলার আমলকি ঢাকার ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে। তবে এ বছর পাইকার আসছে না গ্রামে, আর আসলেও দাম পাচ্ছে না ন্যায্য। এখন বিক্রি না হওয়ায় গাছেই নষ্ট হচ্ছে এ ফল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, জেলায় কম করে হলেও প্রতিটি বাড়িতে ২-৩টি করে আমলকি গাছ দেখা যায়। এখন অনেক পরিবার বাণিজ্যিকভাবে আমলকি চাষ করায় ৪৪ হেক্টর জমিতে এ বছর উৎপাদন হয়েছে ৪৫৮ মেট্রিক টন আমলকি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত