শিরোনাম
◈ আনন্দ-সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে এলো ঈদুল ফিতর ◈ ১৮৬ বাংলাদেশি ইরান থেকে আজারবাইজান হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ◈ ঈদের দিন সকালে ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা নিয়ে যা জানালেন আবহাওয়া অধিদপ্তর ◈ হরমুজ প্রণালিতে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করছে ইরান, এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় ◈ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইফতার আয়োজন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের তাড়া নেই যেই পাঁচ কারণে ◈ ইরানকে ঘিরে নতুন কৌশল: পাইপলাইন পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলের ◈ ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে চাঙা রিজার্ভ ◈ এপ্রিলে দিল্লি সফরে যেতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ◈ পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২১, ০১:১৭ দুপুর
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০২১, ০১:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সিভিএস’র ৯শ স্টোর বন্ধ হচ্ছে

রাশিদ রিয়াজ : মার্কিন মুল্লুকে কনজিউমার ভ্যালু স্টোর নামে পরিচিত খুচরা পণ্য বিক্রেতা সংস্থা সিভিএস’র এসব স্টোর আগামী ৩ বছরে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া হবে। ১৯৬৩ সালে ম্যাসাচুসেটসের লোয়েলে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সংস্থার ১০ শতাংশ স্টোরগুলো ফার্মেসি। কোভিড মহামারীতে এধরনের ফার্মেসিগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ক্লিনিং ওয়াইপ এবং টয়লেট পেপার কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভীড় লেগেই থাকত। প্রকৃতপক্ষে, সিভিএস বন্ধ হওয়া আশ্চর্যজনক নয়। তারা মার্কিন খুচরা ফার্মেসি থাদে দীর্ঘস্থায়ী সংকোচনের সর্বশেষ পদক্ষেপ। সিভিএস, ওয়ালগ্রিনস ও রাইট এইড’এর মত সংস্থাগুলো বছরের পর বছর ধরে দোকান বন্ধ করছে। কারণ স্বাধীন ফার্মেসিগুলি চেইনশপগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়ীক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পেরে উঠছে না। এধরনের ওষুধের দোকান বন্ধ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি তৈরি করে বিপাকে ফেলতে পারে। সিএনএন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ওষুধের চেনশপ সিভিএস বন্ধের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জনসংখ্যার পরিবর্তন, ভোক্তা কেনার ধরণ এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যের প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রেখেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সিভিএস ভবিষ্যতে স্ন্যাকস, ক্যান্ডি, শ্যাম্পু এবং গ্রিটিং কার্ড বিক্রি করবে না। বরং ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির যে প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন গ্রাহকদের একটি বিশাল গ্রাহক বেস তৈরি করতে ও ৬৯ বিলিয়ন বাজার মূলধন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি হিসেবে মার্কিন অর্থনীতিতে বিবেচিত। সিভিএস বলছে এধরনের চুক্তিটি রোগীদের স্বাস্থ্য পরিকল্পনা থেকে তাদের উপকৃত করবে এবং স্বাস্থ্য খাতে তাদের খরচ কমাতে সাহায্য করবে।

ভবিষ্যতে সিভিএস’র স্টোরগুলিতে তিনটি স্বতন্ত্র মডেল থাকবে। এগুলো হচ্ছে প্রাথমিক যত্ন পরিষেবা, ডায়েটিশিয়ান, নার্স অনুশীলনকারী এবং ল্যাব পরিষেবা অন্যতম। অর্থাৎ ওষুধ বিক্রির চেয়ে সিভিএস স্বাস্থ্য সেবার দিকে নজর দেবে বেশি। ডয়েচে ব্যাংকের বিশ্লেষক জর্জ হিল বলেন, সিভিএস সত্যিই স্বাস্থ্য পরিচর্যা ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফার্মেসির অভাব নেই এবং একারণেই ব্যবসার বিকল্প খুঁজে নিতে পদ্ধতি পরিবর্তন করছে সিভিএস। ২০১৮ থেকে এ বছরে ২৪৪টি স্টোর বন্ধ করলেও যুক্তরাষ্ট্রে এখনো সিভিএস’র স্টোর রয়েছে ৯ হাজার ৯শটি। যা ওয়ালমার্ট, টার্গেট, ক্রোজার, কস্টকো’র মিলিত স্টোর সংখ্যার চেয়ে বেশি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়