শিরোনাম
◈ জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তা সংকটে দেশের পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা, মালিকদের সতর্কবার্তা ◈ যৌ.ন আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি: সমাধান নাকি লাভজনক ব্যবসা? ◈ ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতির বড় ধাক্কা, ঝুঁকির তালিকায় শীর্ষে কারা ◈ শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ◈ এবার বিশ্বনেতাদের কাছে ইরানকে রুখতে যে আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু ◈ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শেষ করার জন্য অবশেষে যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তুরস্ক ◈ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি; গুলিবিদ্ধ ৪ ◈ ১৫ বছর বয়‌সে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস! ◈ হাদিকে হত্যা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে: দাবি অভিযুক্ত ফয়সালের ◈ একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:২৬ রাত
আপডেট : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধনকুবেরদের সহযোগীতায় বিশ্ববাজারে ভারতের স্বদেশী ফ্যাশন

লিহান লিমা: [২] স্বদেশী ডিজাইনগুলোকে বৈশ্বিক স্তরে নিয়ে যেতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখছে ভারতের বড় বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো। অক্টোবরে, রিলায়েন্স সংস্থার একটি সহযোগী সংস্থা রিলায়েন্স ব্র্যান্ডস লিমিটেড (আরবিএল) ঘোষণা করেছে তারা এটি সেলেব্রেটি ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার ডিজাইনের ৪০ শতাংশ ইক্যুইটি কিনেছে। এক সপ্তাহ পরে, কোম্পানিটি ভারতের প্রাচীনতম ফ্যাশন হাউসগুলির মধ্যে একটি রিতু কুমারের ৫০% এর বেশি অংশীদারিত্ব কিনে নেয়। বিবিসি

[৩] গত ৩০ বছর ধরে শীর্ষস্থানীয় বলিউড তারকাদের পোশাক প্রস্তুত করা মনিশ প্রায় ১৫ বছর আগে তার নামের ফ্যাশন কোম্পানি চালু করেন। ফোর্বসের মতে, বলপার্কে তার বার্ষিক আয় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রিলায়েন্সের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া নিয়ে মনিশ বলেন, আমার কাছে ব্যবহারিক জ্ঞান আছে কিন্তু এটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমার সমর্থন প্রয়োজন। এই সময় তিনি ডিওর, চ্যানেল, হুগো বস, সেন্ট লরেন্ট এর ‘প্রাতিষ্ঠানিকতা’র দিকে উল্লেখ করেন।

[৪] ভারতের বহুজাতিক আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন আদিত্য বিড়লা ফ্যাশন সম্প্রতি সব্যসাচী, তরুণ তাহিলিয়ানি, শান্তনু ও নিখিলের মতো জনপ্রিয় ডিজাইনারদের অংশীদারিত্ব নিয়েছে। প্রথম ভারতীয় ডিজাইনার হিসেবে সব্যসাচী এই বছর সুইডিশ ফ্যাশন জায়ান্ট ঐগ এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেন। আদিত্য বিড়লার বিনিয়োগের পর সব্যসাচী ঘোষণা করেছেন ২০২২সালে তিনি নিউইয়র্কে ৬০ হাজার বর্গফুটের একটি স্টোর খুলবেন।

[৫] ম্যাককিনসে’র তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে ভারতের পোশাকের বাজার হবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের, যা যুক্তরাজ্য এবং জার্মানিকে ছাড়িয়ে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম বাজার হবে। তবে এখনো বৈশ্বিক প্রতিযোগীদের চেয়ে এর আকার খানিকটা ছোট। ভারতের শীর্ষ কোচার হাউসগুলোর বার্ষিক টার্নওভার ২৫ থেকে ১০০ মিলিয়নের মধ্যে।

[৬] বিশ্বজুড়ে ফ্যাশনের হালচাল ইউরোপ এবং আমেরিকাকে ঘিরে, চীন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভোক্তারা এই বাজারটির পৃষ্ঠপোষকতা করছে। সেখানে ভারতীয় ফ্যাশন শিল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈশ্বিক শিল্প মডেলের সঙ্গে মানানসই একটি উৎপাদন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা কঠিন। কারণ ভারতের পোশাক তৈরি হয় এখনো বিয়ে এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে, যা তাঁতি, হাতের কাজ এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের ওপর নির্ভরশীল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়