শিরোনাম
◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার ◈ মাত্র ৮৫২ মিটার দূর দিয়ে গেল ভারতীয় স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ, রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ◈ প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব খোলায় নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৩৭ রাত
আপডেট : ১৭ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: বাংলা সাহিত্য হারিয়েছে তার ছোটগল্পের রাজপুত্রকে

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো প্রিয়জনের মৃত্যুর সংবাদ লেখা। আমার লেখালেখি জীবনের, আমার শৈশবের, আমার তারুণ্যের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর নাম হাসান আজিজুল হক। তিনি সম্পর্কে আমার তাই-ই, কিন্তু লেখক হিসেবে আমাদের যে সম্পর্ক তা আমি সারাজীবন লিখতে চাই। লিখতে চাই ‘আগুনপাখি’ লেখার কথা, লিখতে চাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দেওয়ার কথা, লিখতে চাই আমাদের সমস্ত বিতর্কের কথা। সেই অসংখ্য স্মৃতি কি কখনো ভুলতে পারবো? বাংলা সাহিত্য হারিয়েছে তার ছোটগল্পের রাজপুত্রকে, কিন্তু আমি হারিয়েছি সেই বন্ধুকে যে এই কিছুদিন আগেও আমাকে কথা দিয়েছিলোÑ সেরে উঠলে আমরা ইউরোপ দেখতে যাবো, শেকসপিয়ার অ্যান্ড কোম্পানিতে বসে আড্ডা দেবো, জোরে জোরে পাঠ করবো আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ‘স্নোজ অব কিলিমাঞ্জারো’।

আমার জন্য তাঁর শেষ উপহার ছিলো আমার সবচেয়ে প্রিয় কবিতার অনুবাদ। এডগার এলান পো’র লেখা অষড়হব. কবিতার লাইনগুলো এ রকম- ¸ heart to joy at the same tone/And All I loved, I loved alone... কী অদ্ভুত! তিনি নিজেই একা হয়ে গেলেন আজ?

তিনি কোলাহল ভালোবাসতেন কেবল আড্ডা দিতে। কিন্তু নির্জনতায় ডুব দিতেন লেখার সময়টায়। এ রকম মানুষকে বিদায় দেওয়া যায় না। অসীম নির্জনতার জগতে তাঁকে আমন্ত্রণ। আর হ্যাঁ, লেখকেরা কখনোই মরেন না, তারা কেবল বই হয়ে যান। প্রিয় বন্ধু, প্রিয় আত্মীয় আমার, তুমিই বলো, তোমাকে কি কখনো বিদায় বলতে পারি? বন্ধুর জন্য লেখা আর আঁকা ছাড়া আর কিইই বা করতে পারি আমি? Clr পরিমার্জিত। Jannatun Nayeem Prity-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ুন।

  • সর্বশেষ